1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নবীনগরে কৃষকের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ফেনীতে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছেন ট্রাম্প, চলছে ২০২৭ সালের প্রস্তুতি বাড়বে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ফ্লাইট, সহজ হবে ভিসা মাগুরায় ১৮ জেলার ৭২ খেলোয়াড় নিয়ে টেনিস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের টুর্নামেন্ট শুরু  কর্ণফুলীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন, মোবাইল কোর্টে বেকারি সিলগালা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ‘হিউজ অ্যাচিভমেন্ট’: আশরাফুল নোয়াখালীতে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, দুই মামলায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, অপরাধও কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নবীনগরে কৃষকের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪২৪ বার

আইকে ইব্রাহীম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের গনি মিয়ার ছেলে প্রভাবশালী হোসেন মিয়া জোরপূর্বক এক অসহায় কৃষক পরিবারের বৈধ ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টায় ঘরের ভিটি তৈরী করার অভিযোগ রয়েছে। এসময় বাঁধা দিতে গেলে ওই কৃষক পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে হোসেন মিয়াকে প্রধান আসামী করে ৭ জনের বিরুদ্ধে ওই কৃষক কাজী আবদুল আহাদ মিয়া নবীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এলাকা সরজমিনে ও বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, মহেশপুর মৌজাস্থিত সেটেলমেন্ট ২০১১ দাগে ২৬ শতাংশ বসতভিটি ও ২০১২ দাগে ৬ শতাংশ নালসহ ৩২ শতাংশ জমি ১৯৮২ সালে মৃত আবদুল গনি মিয়ার স্ত্রী মিরাশেরনেছার নিকট থেকে কাজী আবদুল আহাদ ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর ওই জমিতে ফসলাদী চাষাবাদ করে আসছেন তিনি। সম্প্রতি ওই সম্পত্তির ওয়ারিশ দাবী করে হোসেন মিয়া গংরা আদালতে দুইটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দুইটি বিচারাধীন থাকাবস্থায় গত ২৮ নভেম্বর সকালে দলবল নিয়ে হোসেন মিয়া উক্ত জায়গায় চাষকৃত শাকসবজি ও ফলজ গাছ কেটে ফেলে এবং ঘর তৈরীর জন্য ভিটি বানায়।
এ ব্যাপারে কৃষক কাজী আবদুল আহাদ বলেন, আমি ১৯৮২ সালে এ সম্পত্তির ক্রয়সূত্রে বৈধ মালিক হয়েছি এবং দখলে থেকে চাষাবাদসহ ব্যবহার করে আসছি। এতদিন তারা এ সম্পত্তি দাবী করতে আসেনি সম্প্রতি মিরাশেরনেছা মারা যাওয়ার পর আমাকে অসহায় পেয়ে প্রভাব দেখিয়ে ওই জমি দখলের চেষ্টা করে আসছে।
এ ব্যাপারে হোসেন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি, তবে ওই স্থানে উপস্থিত হোসেন মিয়ার নাতনি পরিচয়দানকারি রিনা বেগম বলেন, এ সম্পত্তি আমাদের বাপ দাদাদের সম্পত্তি, আহাদ মিয়া জালিয়াতি করে দলিল করিয়ে নেন।
এ ব্যাপারে গ্রামের বর্তমান মেম্বার কালু মিয়া বলেন, আমরা জানি আহাদ এ সম্পত্তির বৈধ মালিক ।
এ ব্যাপারে সাবেক চেয়ারম্যান শওকত ওসমান বলেন, আহাদ মিয়া এ সম্পত্তির বৈধ মালিক, ওয়ারিশ দাবীদাররা এ গ্রামে থাকে না, অনেক পূর্বেই তাদের সকল সম্পত্তি বিক্রী করে এ গ্রাম থেকে তারা ছেড়ে চলে যায়।
এ ব্যাপারে শিবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মশিউর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল আমি পরিদর্শন করেছি, উভয়কে বলেছি যেহেতু এ সম্পত্তি নিয়ে মামলা চলমান সেক্ষেত্রে মামলার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আইন শৃংখলা বিনষ্ট করা যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net