ঢাকা   ০৩:৪৪:০৫ এএম, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালী সদর কোর্ট বার্ষিক পরিদর্শন করলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি  কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বিশাল সমাবেশ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট: ইসি সচিব নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সহায়তায় হাটহাজারীতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ত্রিপুরা পাড়া পদির্শনে যান ইউএনও আবদুর রহমান চন্দনাইশে জ্ঞানের আলোর সন্ধানে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের হাঁটতে হয় প্রায় ২ ঘণ্টা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার কবিরহাটে জামায়াতে ইসলামীর সীরাতুন্নবী মাহফিল অনুষ্ঠিত: রাসূলের আদর্শ অনুসরণে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান কোম্পানীগঞ্জে নবআবিষ্কৃত সুন্দলপুর সাউথ-১ গ্যাসক্ষেত্র পরিদর্শনে এমপি ফখরুল ইসলাম

আগামী বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২০
  • ৫৭১ বার
  • ৮ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আগামী বছর ২০২১ সালের বাণিজ্য মেলার ২৬তম আসর আয়োজন হবে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে। তবে ধীরলয়ে কাজ চলায় নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে কিনা তা নিয়ে ছিল সংশয়। বিষয়টি অবগত হওয়ায় দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে ফের বেড়েছে কাজের গতি। এখন আর আগামী বছর নয়, এ বছরের মাঝামাঝি এই এক্সিবিশন সেন্টার চালু হওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন ক্রেতাদের আকর্ষণ করার লক্ষ্যে পণ্য প্রস্তুতকারক এবং রফতানিকারকদের পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে এখানে। এই সেন্টারের মাধ্যমেই ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল নিউ টাউনের ৪নং সেক্টরের ৩১২নং রোডের ০০২নং প্লটে নির্মাণ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। মোট ৩৫ একর জমির ওপর নির্মাণাধীন এই সেন্টারে আধুনিক কার পার্কিং, সম্মেলন কক্ষ, সভাকক্ষ, প্রেস সেন্টার, অভ্যর্থনা কক্ষ, বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্র, আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ডরমেটরি থাকবে। এছাড়া এক্সিবিশন সেন্টারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক সিসিটিভিসহ আধুনিক সুবধা সম্বলিত ব্যবস্থাসহ, বিদ্যুতের জন্য নিজস্ব সাব সেন্টার, সার্ভিস রুম, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, কালভার্ট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে।

এদিকে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) দফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হলেও এতোদিন এ প্রকল্পের কাজ সেভাবে আগায়নি। কাজের অগ্রগতিতে যথেষ্ট সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছিল যে নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ করা যাবে কিনা। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজে আবার গতি বেড়েছে। এখন আর সেই সংশয় নেই বলে দাবি করেছে সূত্রটি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, পূর্বাচলের ৪ নম্বর সেক্টরে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের কাজ কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হবে। আগামী বছর থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এখানেই হবে। তিনি জানান, সংশোধিত প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন রয়েছে। আমরা তা মানার চেষ্টা করছি।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির জন্য উপযুক্ত জমি যথাসময়ে পাওয়া যায়নি। এ কারণে নকশা করে এর বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা যায়নি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাজউক পূর্বাচল উপশহরে মোট ২০ একর জমি বরাদ্দ দেয়। যদিও পরবর্তীতে জমি আরও বাড়ানো হয়। ওই জমি বিবেচনায় রেখে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকচারাল ডিজাইন (বিআইএডি) প্রস্তাবিত সেন্টারের একটি পরিকল্পিত ডিজাইন করে। ডিজাইন চূড়ান্তের আগেই বিআইএডি প্রকল্প এলাকায় সমীক্ষা পরিচালনা করে। সমীক্ষা পরিচালনার পর বিআইএডি জানায়, একনেকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আলোচ্য প্রকল্পের ডিজাইনে ভূ-গর্ভস্থ কার পার্কিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা অর্থনৈতিক এবং কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে যৌক্তিক হবে না। ফলে সেন্টারের ডিজাইনে ভূ-গর্ভস্থ কার পার্কিংয়ের পরিবর্তে ভূমি সমতলে এ কার পার্কিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ডিজাইনটি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করেন। এরপর প্রকল্পের সময় বাস্তবতার নিরিখে বাড়িয়ে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে জিওবি ৪৭৫ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ইপিবির ২০২ কোটি ৮০ লাখ টাকা জোগান দিচ্ছে। সংশোধিত প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ১০ জুলাই একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, প্রকল্প ঋণ বাবদ ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা চীন সরকারের অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো বাস্তবায়ন করছে।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ধারিত সময়ের আগেই এটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি