ঢাকা   ০৯:১০:৩৯ এএম, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের নকলায় জাতীয় যুব দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণ বিতরণ সাউন্ড গ্রেনেডে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ, মিরপুরে যান চলাচল স্বাভাবিক এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে মাদ্রাসার ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা 

মাগুরায় ঝড় আম্পানের তান্ডব, ক্ষতির পরিমান কমপক্ষে শতকোটি টাকা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০
  • ৩৪১ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মোঃসাইফুল্লাহ/ মাগুরায় বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর রাত পর্যন্ত টানা ঝড়ের সাথে ভারি বর্ষণে মাগুরায় ঘর-বাড়ি, গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।জেলার শ্রীপুর শহরের ঐতিহাসিক বটতলা মোড়ের বটগাছটি ও আম্পানের তান্ডবে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এছাড়া লিচু, আম, পেপে, কলা, ধান ও বিভিন্ন ধরনের
সবজিসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আজ ২২ মে দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান– স্মরণকালে দীর্ঘস্থায়ী এ ঝড়ে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, সব মিলিয়ে জেলায় ক্ষতির পরিমান কমপক্ষে শত কোটি টাকা হবে বলে আমার ধারণা।

মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর কৃষক উন্নয়ন সমিতির সদস্য কাজী সাইফুল ইসলামসহ অনেকেই জানান- ‘জেলার হাজীপুর, হাজরাপুর, রাঘবদাইড় ইউনিয়ন, আঠারখাদা, মঘি ও পৌর সভার কিছু এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে ২০ হাজারের উপরে লিচু, আম, কাঠাল, কলা, পেপে বাগান রয়েছে। যার মধ্যে জেলার প্রধান অর্থকারি ফসল লিচু বাগান রয়েছে প্রায় ৭ হাজর। কিন্তু বুধবার সারা রাতের ঝড়ের তান্ডবে গোটা এলাকার সব ফসল নষ্ঠ হয়ে গেছে। প্রতি বছর এ এলাকা থেকে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আম ও লিচু বিক্রি হয়ে থাকে’। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা তাদের ফসল হানীর কারনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কারন এসকল ফসল বিক্রির টাকায় সারা বছর তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক জাহিদুল আমিন বলেন, বর্তমানে জেলায়-৬০০ হেক্টর জমিতে লিচু, ১৩০০ হেক্টরে আম, ৭০০হেক্টরে কলা, ৬০০ হেক্টর জমিতে পেঁপে, ৬২০ হেক্টরে কাঠার, ২০০ হেক্টর জমিতে নালিম,৭২০ হেক্টর মুগডাল, ২৭২০ হেক্টরে বিভিন্ন সবজি, ২৮২০ হেক্টরে তিল এবং ৩৫ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। তবে এসকল ফসলের মধ্যে প্রায় শত ভাগ পেঁপে, কলা ও অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। আর্থিক ক্ষতির পরিমান নিরুপনে তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে, ২ /১ দিনের মধ্যে পুরোপুরি তথ্য আমরা পেয়ে যাবো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি