1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলায় নাঙ্গলকোটে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি আনোয়ারায় তিন দোকানীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ভক্তিয়ারপাড়া চারপীর আউলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি-৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা ও রক্তদান কর্মসুচির উদ্ভোধন মাগুরায় বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ‘রাজা’, সাধারণ সম্পাদক ‘রেজাউল’ নির্বাচিত রাঙ্গাবালীতে ভেরিফিকেশনে আটকে গেল ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী সোহানের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন মাগুরায় বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের এলাকাভিত্তিক নেতাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ট-ব্লকে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত বাড়ি-ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত কমিটির সভা কর্ণফুলী প্রেসক্লাবের মাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলায় নাঙ্গলকোটে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ৩২৩ বার

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি :
নাঙ্গলকোটে ঢাকা থেকে আগত ভাতিজাদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলায় বড় ভাই, ভাতিজাসহ তাদের লোকজনের হামলায় তিন সন্তানের জনক ছোট ভাই খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার দৌলখাঁড় ইউপির সোন্দাইল গ্রামের পূর্ব পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছোট ভাই মোহাম্মদ হোসেন মিয়া (৪০) ওই গ্রামের মৃত. ইউছুফ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় ছয় জনকে আটক করে নিয়ে আসে থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, নিহত মোহাম্মদ হোসেন মিয়ার বড় ভাই দুলাল, তার স্ত্রী কাজল বেগম, ছেলে সহিদ, আরমান, জালালের স্ত্রী রেহেনা বেগম ও ছেলে ফারুক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু দিন পূর্বে বড় ভাই দুলালের দু’ছেলে সহিদ (২৮) ও আরমান হোসেন (২১) ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন। এনিয়ে তাদের চাচা হোসেন মিয়া দু’ভাতিজাকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বাড়ি থেকে বের না হতে নিষেধ করেন। এতে ভাতিজারা ক্ষিপ্ত হয়ে চাচা হোসেন মিয়াকে গালমন্দ করে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বড় ভাই দুলাল, তার ছেলে সহিদ, আরমান, আজিম, জালাল ও তার ছেলে ফারুকসহ ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে হোসেন মিয়াকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তার আত্মচিৎকারে আশে-পাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ওই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোহাম্মদ হোসেনের স্ত্রী কহিনুর বেগম বলেন, গতকাল সোমবার তার স্বামী এক আত্মীয়ের নামাজে জানাযা শেষে বাড়িতে আসার করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ভাতিজাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা নিয়ে ভাই ও ভাতিজাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তাকে হত্যা করে। তিনি এ হত্যাকান্ডের সঠিক তদন্ত করে হত্যাকারিদের বিচারের দাবি জানায়। অভিযুক্ত দুলাল বলেন, বাড়ির জায়গা নিয়ে তার ভাইয়ের সাথে বিরোধ চলে আসছে। এনিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে দু‘ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ভাই ভাতিজারা মিলে হোসেন মিয়াকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। এঘটনায় ৬জনকে আটক করা হয়। বাদির অভিযোগের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিহতের লাশ উদ্ধার কওে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net