1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
এবি পার্টি প্রধান আল বদর ছিলেন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে কী হচ্ছে? সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা, দুই বিদেশি নাগরিক নিহত মাগুরায় দুর্বৃত্তের গুলিতে পৌর যুবদল নেতা নিহত!  বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ মাগুরার শ্রীপুরে ১১দলীয় ঐক্য জোটের খুলনা বিভাগীয় লং মার্চ ও ২৮ অক্টোবর পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও বাড়ি নির্মাণে বাধার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন  ভাঙ্গুড়ায় বড়াল-গুমানি নদীতে প্রতিমা বিসর্জন, শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব লক্ষ্মীপুর বিসিকের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মাটিরাঙ্গায় পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে পৌর বিএনপি রামগড়ে পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ওয়াদুদ ভূঁইয়া মাগুরায় ‘আব্দুল মালেক বিশ্বাস মেমোরিয়াল ট্রাস্ট হাসপাতাল’-এর উদ্বোধন”গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত

এবি পার্টি প্রধান আল বদর ছিলেন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ মে, ২০২০
  • ৩৯৯ বার

| খোমেনী ইহসান |
আমার বাংলাদেশ পার্টির আহ্বায়ক সোলায়মান চৌধুরী ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য হিসেবে একাত্তরে আল বদর বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন, এই বাহিনীর হয়ে তিনি চট্টগ্রামের পাহারি এলাকায় সক্রিয় ছিলেন।

তার বিষয়ে আমি এ তথ্য পরিবেশন করছি যেন একাত্তর নিয়ে অপরাজনীতি বন্ধ হয়। জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট। তারা কেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে তার কারণ তারা বলে। ওই সময়ে আরও অনেকে বিরোধিতা করলেও পরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি হয়ে যান, সোলায়মান চৌধুরীও এর নজির।

আমার অবস্থান হলো, একাত্তরে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদ বিরোধিতার জায়গা থেকে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা বেঠিক ছিল না এবং যারা বিরোধিতা করেছেন বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করাতে কোনো অসুবিধা নাই।

কাজেই সোলায়মান চৌধুরী যে নতুন রাজনৈতিক দল করছেন তা তিনি করতেই পারেন। কিন্তু তার রাজনীতি যখন দাঁড়ায় একাত্তর প্রশ্নে জামায়াতের দিকে আঙুল তোলার তখন যেন নিজের বিষয়টা খেয়াল রাখেন।

এবিপির অঘোষিত উপদেষ্টাদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডিত লোকজনও আছেন, আবার সত্যিকারের খুনীও আছেন, ফলে একাত্তর ইস্যুটা যেন রাজনীতি না হয়ে ওঠে।

তরুণরা যেন সত্যিকারের রাজনৈতিক উদ্যোগে শামিল হওয়ার বদলে বিভ্রান্ত ও প্রতারিত না হন। মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে নতুন পুরান সব ধান্দা প্রত্যাখ্যান করুন। নতুন সময় নতুন রাজনীতি করুন। নতুন বোতলে পুরনো মদ পান না করে নিজের দু হাতের আজলা ভরে পরিষ্কার পানি পান করুন।

আজ বাদ আসর চট্টগ্রামের এক ভাইয়ের কাছ থেকেসোলায়মান চৌধুরীর একাত্তরের ভূমিকার কথা জানতে পারি। তারপর তার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে তার ফেসবুক পেইজে নিচের তথ্য পাই।

🔷 রাজনৈতিক জীবনঃ

লাকসাম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেনীতে পড়াকালীন সময়ে, তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে আলোচিত শিক্ষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে তার পদার্পন।
১৯৬৪ সালে ইসলামী ছাত্র সংঘে যোগদেন।

১৯৬৬ সালে ইসলামী ছাত্র সংঘের রফিক পদে (বর্তমান সাথী পদে)।
১৯৬৭ সালে ছাত্র সংঘের রুকন (বর্তমানে সদস্য),
১৯৭৫ সালের নভেম্বরে ছাত্রজীবন সমাপ্ত হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদেন।
১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকনীয়াতের শপথ নেন।
১৯৭৭ সালে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৯ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরি করেন। এতে তিনি নিরপেক্ষ ভাবে সততা ও সাহসীকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালে পুনরায় জামায়াতে ইসলামীতে যোগদেন, ২০১০ সালের মে মাসে পুনরায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকনীয়াতের শপথ নেন।
২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ পেশাজীবি ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ( বর্তমানেও আছেন)

১৯৬৮, ৬৯, ৭০ সালে বৃহত্তর লাকসামে ইসলামের দাওয়াত পৌছানো, এই এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপনেও গুরুপূর্ন ভূমিকা পালন করেন।”

খেয়াল করুন, ছাত্র সংঘ ও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সোলায়মান চৌধুরীর সম্পর্ক কতটা নিরবিচ্ছিন্ন ও নিবিড় ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net