ঢাকা   ০৯:১২:১০ পিএম, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ইরা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লাকসাম যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল  মাগুরার শ্রীপুরে বরিশাট ঈদগাহের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির ৫৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার বিনোদপুরে ১০ম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল ও ইছালে সওয়াব অনুষ্ঠিত মাগুরায় হত্যা মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও এসআই ইসমাইল কারাগারে খাদ্যের উন্নত মান ও স্বাদে আস্থার নাম ‘সাদিয়া’স কিচেন’

আমার ছাদ বাগান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ৮৩১ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

লীলিমা শামীম:
আমার ভালো লাগার বিষয় গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাগান। গাছের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয় ছোটকাল থেকে। চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শহরের বাবার বাড়িতেও গাছের প্রতি মায়ের আকর্ষণ দেখতাম সচরাচর।
মা বেলকনিতেই, তরমুজ, মানিপ্লান্ট,ফ্রুট (বাঙী)
গোলাপ ইত্যাদি রোপণ করতেন। সে সময় থেকে বাগান কারার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। তার মধ্যে আমি কবি, কবিরা সাধারণত প্রকৃতি প্রেমি হয়ে থাকে।
সফল হতেন মায়ের হাতের গাছের ফল খেয়েছি সেই থেকে এই সখ জাগলেও সন্তানের শিক্ষা দীক্ষা। স্বামীর ব্যাবসা।
শ্বশুর শ্বাশুড়ির দেয়া দ্বায়িত্ব বহন করতে করতে আর নিজের সখের মুল্য দেয়া হয়নি।
২০০৫ সনে প্রথম ছাদের উপর গাছের সখ জাগে
আজ থেকে ১৬ বছর আগে একদিন কয়েকটি ফুলের গাছ সংগ্রহ করি।
বাড়ির ছাদেই ১২ ইঞ্চি টবের গাছ গুলো ধীরে ধীরে ফুলে ফুলে ভরে যায় ছাদের একটা অংশ।
বাড়িতে আগের কিছু ফলের গাছ ছিল উঠোন জুড়ে।
বেলী,চম্পা,হাসনাহেনা, পেয়ারা, আমড়া ও সেগুন গাছ।
সেগুলোর দেখাদেখি গাছের প্রতি সবসময় আমি দূর্বল।
আমার ছাদ কৃষিতে জায়গা সমৃদ্ধি ও নানা জাতের গাছে পরিপূর্ণ এখন।

কয়েকধরণের আম গাছ আছে,
আমলকি,জলপাই, কামরাঙা,
কমলা,পাতিলেবু,কটলেবু,ডালিম, জাম্বুরা, বেতন,আনার,আলোবোখড়া,
বাতাবীলেবু, তুতফল,তোথো,পেয়ারা নানাজাতের, সুপারিগাছ,
এলাচি, এলোভেরা,নানা রকম ওষুধি গাছিও আছে নাম না জানা।
হরেকরকম ফুল ও পাতাবাহারের সমাহার।
দিনের তিন ঘন্টা সময় আমি ছাদের বাগান পরিচর্যায় দিয়ে থাকি সাথে একজন গাছগুলো পরিস্কার, পরিসরে নানাবিধ সুযোগ সুবিধা ও স্থানপরিবর্তন করতে হয় সাপ্তাহিক।
গাছের জন্য সারের খুব প্রয়োজন যা পোকামাকড় ও কেচো পিপড়া সারানোর জন্য।
মে ফুল গাছের যত্ন নিতে হয় কম
গন্ধরাজ গাছটি বেশ পুরনো কিন্তু সাইজ এখনো তিনফুট।
হাসনাহেনা গাছ লম্বায় ৫ফিট।
কাট গোলাপ অসাধারণ গাছটির বয়স প্রায় ২০ বছরের।
মেহেদী গাছ মায়ের হাতের নিশান জন্ম তার প্রায় ২৮ বছর।
চায়না গোলাপ গাছটি নুয়ে পড়ছে অসাধারণ সৌন্দর্য মন্ডিত। লকডাউনের ১২০ দিনের পরিশ্রমে বাগানটাই অসাধারণ রূপ ধারণ করেছে।
নানারূপের পাতাবাহারের সমাহার আমার ছাদের চারিপাশে বেষ্টনীর দেয়াল তৈরী করে দিয়েছে। পরিবেশ রক্ষা করা এবং সুস্থ থাকার জন্য আমাদেরকে প্রকৃতি প্রেমি হতে হবে। শহরে জায়গায় না থাকুক,ছাদ তো রয়েছে মনোযোগ দিলে ছাদে গড়ে তুলা যায় চমৎকার বাগান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি