1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গোপালগঞ্জে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রান্তের আগেই প্লাবিত শতাধিক গ্রাম - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার বিভিন্ন দেয়ালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান গ্রাফিতি চিত্র জে.আই. চৌধুরী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাতের লেখা প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে বন্যার্তদের পাশে বিএনপি: সাতকানিয়ায় কৃষক দলের ত্রাণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচিতে মাহবুবুর রহমান শামীম জননিরাপত্তা ও সেবার মানোন্নয়নে নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা মাগুরা জেলা পুলিশের তরিৎ অভিযানে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী উদ্ধার   চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল চন্দনাইশে কারিতাস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১,২৮০ বন্যার্ত পরিবার পেল নগদ সহায়তা, হাইজিন কিট ও ত্রাণ”

গোপালগঞ্জে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রান্তের আগেই প্লাবিত শতাধিক গ্রাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০
  • ২৭৩ বার

সাবেত আহমেদ, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জের প্রধান দুটি নদী ও এমবিআর ক্যানেলের
পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তারপরও জেলার
১০০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্রতিদিন নদীর পানি
বৃদ্ধি ও বৃষ্টির ফলে নতুন নতুন এলকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে
নিম্নাঞ্চলে তলিয়েছে মাছের ঘের, মুরগীর খামার, আউস ও আমন
ধান। নষ্ট হয়েছে রোপা আমনের বীজতলা। তলিয়ে গেছে বিভিন্ন
গ্রামের রাস্তা ঘাটও।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে এমবিআর ক্যানেলের পানি
সবেমাত্র বিপদসীমায় পৌঁছেছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদ
সীমার ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মধুমতি
নদীর পানি বৃদ্ধি অপরিবর্তীত থাকলেও এমবিআর ক্যানেলের পানি
বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্লাবিত হয়েছে গোপালগঞ্জ সদর,
মুকুসুদপুর, কাশিয়ানী ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিম্নাঞ্চল।
প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
এ পর্যন্ত জেলার অর্ধশত গ্রামের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি
হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট, ঘর-বাড়ি ডুবে সৃষ্টি হয়েছে জন
দুর্ভোগ। বন্যার পানিতে ভেসে গেছে সহস্রাধিক মাছের ঘের।
অনেকেই নেট ব্যাবহার করে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন মাছের ঘের।
নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। এছাড়াও পানি বৃদ্ধির ফলে অধিকাংশ
কৃষকই পাট কাটতে পারছেন না। ফলে পাট চাষীরা রয়েছেন ক্ষতির
আশংকায়। বন্যাকবলিত এলাকার কয়েকশ পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
ইউপি পরিষদ ভবন, রাস্থার পাশসহ উচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
পরিবার পরিজন ও গবাদিপশু দিয়ে অবর্নণীয় দুঃখ কষ্টের মধ্যে
দিনাতিপাত করছেন তারা।

অপরদিকে মধুমতি নদী ও বিলরুট ক্যানেলের গোপালগঞ্জ সদর
উপজেলার মানিকদহ, উরফি, হরিদাসপুর, ইছাখালি, চর ঘাঘা ও
ধলইতলায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মাকিদাহ এলাকার
একটি গরুত্বপূর্ণ রাস্তা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। এতে করে
চরম ভোগান্তিতে পড়েছে পশ্চিম গোপালগঞ্জ ও নিকটবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। করোনার মধ্যে গ্রাম প্লাবিত হওয়ার
পাশাপাশি নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ
করেছে।

গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী
বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেন, বিলরুট ক্যানেলের পানি বিপদসীমায়
পৌঁছেছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদ সীমার ৩৩ সেন্টিমিটার
নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া যেসকল স্থানে নদী ভাঙন শুরু
হয়েছে সে সকল স্থানে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে ভাঙন
প্রতিরোধের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওই
কর্মকর্তা।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন,
সার্বক্ষণিক জেলার বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে।
বন্যার্তদের জন্য ১৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
আশ্রকেন্দ্রগুলোতে এ পর্যন্ত ৩০৭৭জন আশ্রয় নিয়েছে। তাদের
খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। যতদিন পর্যন্ত বন্যা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন পর্যন্ত সরকারি মানবিক
খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net