1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বাঁকখালী নদীতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ওসমানগঞ্জে ফুটবল বিতরণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হাটহাজারী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক হাসান গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী পদে এক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ মেয়াদের পক্ষে সরকার, বিরোধী দলকে আলোচনার আহ্বান মাগুরায় নাশকতা মামলায় নিষিদ্ধ  সাবেক ছাত্রলীগ নেতা! সাগর হোসেন আটক মাগুরায় শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের বহুতল ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন বান্দরবানে এনসিপি নেতা মিজানুর রহমান আখন্দের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষকের নামে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ  নাঙ্গলকোটে ভূয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান : জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি

বাঁকখালী নদীতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৪৪ বার

সাঁতার কেটে পার হবার কালে বাঁকখালী নদীতে তলিয়ে গিয়ে এক যুবকের সলিল সমাধি হয়েছে।

কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার সীমান্তবর্তী চাকমারকুল ও ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া উমখালী-নয়াপাড়ার পুরনো ঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া যুবকের মরদেহ মিলেছে বেলা সাড়ে ১১ টায়।

সলিলসমাধি হওয়া ছলিম উল্লাহ (৩৬) খরুলিয়া নয়াপাড়া গ্রামের মৃত ছৈয়দ আহাম্মদের ছেলে।

নদীতে তার তলিয়ে যাবার খবর পেয়ে সকাল থেকে নিখোঁজকে উদ্ধারে রামু উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের সাত সদস্যের ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা চালায়।

পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার মরদেহ মিলেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল হক।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে ছলিম উমখালীর ওপার থেকে নিজ গ্রামে ফিরতে বাঁকখালী নদীতে সাঁতার দেয়। সাঁতার কেটে নদীর মাঝ বরাবর আসার পর ধীরে ধীরে তলিয়ে যেতে থাকে।

এ সময় তাকে বাঁচাতে অনুরোধ জানিয়ে চিৎকার দেয়। লোকজন বের হয়ে পরিস্থিতি বুঝার আগেই একপর্যায়ে নদীতে তলিয়ে নিখোঁজ হন তিনি।

পরে খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রামু উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে আসে এবং উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
দীর্ঘ আড়াইঘন্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে তার মরদেহের হদিস পান ডুবুরিরা। তার কোমরে রশি দিয়ে বাঁধা লোহার ছোট একটি খন্তি মিলেছে।

স্থানীয়রা জানায়, ছলিম পেশাদার চোর। এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়ির মোটর, মূল্যবান পণ্য চুরি তার নিত্য কাজ ছিল। অসংখ্যবার বিচার সালিশ হলেও তার স্বভাব পাল্টানো যায়নি। তাকে নিয়ে সবাই অতিষ্ঠ ছিল।

ধারণা করা হচ্ছে নদীর ওপারে উমখালীতে রাতে চুরি করতে গিয়েছিলেন তিনি।
কোথাও সুযোগ করতে না পেরে ভোরে এপারে ফিরছিল এবং লোকজনের চোখ ফাঁকি দিতে নদী সাঁতার দেয়। যেখান থেকে সাঁতার দেয়া হয় সে স্থান থেকে দু’শ গজ পূর্বে দীর্ঘ ব্রীজ আর পশ্চিমে খেয়া পারাপার রয়েছে।

মৃত ছৈয়দও পেশায় চোর ছিল। তার দু’বউয়ের ছোট বউয়ের ঘরে ছলিম একমাত্র সন্তান এবং চোর। আর বড় বউয়ের সন্তানরা প্রচুর বিত্ত বৈভবের মালিক।

ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান টিপু সুলতান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি অকল্পনীয়। নদী তীরের প্রায় সকলে ভালো সাঁতার জানে। কারণে অকারণে তারা সাঁতরিয়ে নদী পার হয়। নিখোঁজ যুবকও ভালো সাঁতার জানা।

কিন্তু অনাকাঙ্খিত ভাবে নদীতে তার তলিয়ে যাওয়া সবাইকে হতবাক করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net