https://www.dailyshamolbangla.com/
চট্টগ্রাম ওয়াশার সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা সামসুল আলম মেহমানখানা থেকে এখন আলোছায়া বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই পেয়েছেন। ৭ সন্তানের জনক এই বৃদ্ধের সকল সন্তানই উচ্চ শিক্ষিত এবং স্বাবলম্বী। কিন্তু ছেলে-মেয়েরা এ বৃদ্ধ বাবাকে সহায় সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে এবং বর্তমানে তার কোনো খোঁজখবরও তারা নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করছে না
বৃদ্ধ সামসুল আলমের বাড়ী চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। তিনি দীর্ঘ দিন চাকুরী করেছেন চট্রগ্রাম ওয়াশায়। রিটায়ার্ড হবার পর সুচতুর শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা তার সম্পত্তি থেকে তাকে বঞ্চিত করে তার সাথে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। যার ফলে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। চলে আসেন নরসিংদীতে। আশ্রয় নেন নরসিংদী রেল স্টেশন প্লাট ফরমে। খাবারের সন্ধানে যান মেহমানখানা তিনি গত ১০ দিন যাবৎ নরসিংদী রেলস্টেশনে ভাসমান জীবন যাপন করে আসছিলেন। তিনি লোকমারফত খবর পেয়ে নরসিংদী শহরের ভেলানগরস্থ জেলখানার মোড়ে অস্থায়ীভাবে করোনাকালীন সময় জন্য স্থাপিত মেহমানখানায় উপস্থিত হন। পরে তাঁর প্রতি সন্তানদের অমানবিক আচরণের কথা শুনে মেহমানখানার মূল উদ্যোক্তা ও নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাজহারুল পারভেজ ‘আলোছায়া বৃদ্ধাশ্রম’ নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেন এবং তাকে সে বৃদ্ধাশ্রমেই আশ্রয় দেন।