1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ধর্মপাশায় ঘুষ না দেওয়ায় চাকরি থেকে অব্যাহতি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন  আলোর পথে এক ধাপ এগিয়ে প্রত্যয়ের প্রথম অজুখানার শুভ উদ্বোধন নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের চরপার্বতীতে সালিসি বৈঠকে হামলা-ভাংচুর, বিএনপি নেতাসহ আহত ৫  নোয়াখালীর হাতিয়ায় হান্নান মাসউদের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন  নবীনগরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভ্যান প্রদান চন্দনাইশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-২, আহত-৩ ভবিষ্যতে জ্বালানি সমস্যায় না পড়তে হয়, সে জন্য কাজ করছে সরকার চন্দনাইশে হিজরা ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত-৪

ধর্মপাশায় ঘুষ না দেওয়ায় চাকরি থেকে অব্যাহতি

মহি উদ্দিন আরিফ ধর্মপাশা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬২০ বার

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ এমরান হোসেনকে মাসিক ১০ হাজার টাকা প্রদান না করায় অস্থায়ীভাবে কাজ করা উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমু) মিথুন চক্রবর্তীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিথুন চক্রবর্তী এর প্রতিকার চেয়ে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার সংকট থাকায় নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের রাউতপাড়া এলাকার বাসিন্দা মিথুন চক্রবর্তীকে সেকমু পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব দেওয়া হয়। হাসপাতালের পক্ষ থেকে তাকে মাসিক ৫ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া হতো।

এদিকে গত ৪ আগস্ট উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর পীযুষ কান্তি তালুকদার মিথুনকে জানায়, হাসপাতালে কাজ করতে হলে ডা. এমরান হোসেনকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে উৎকোচ দিতে হবে। নইলে তাকে কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। কিন্তু মিথুন টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ৮ আগস্ট দুপুরে ডা. এমরান তাকে তার কক্ষে নিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।

মিথুন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি প্রায় ছয় বছর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি। আমার সঙ্গে এমনটি হবে আশা করিনি। আমি ন্যায় বিচার চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালকের কাছে ডাকযোগে কয়েকদিন আগে লিখিতভাবে অভিযোগ পাঠিয়েছি।’

স্যনিটারী ইন্সপেক্টর পীযূষ কান্তি তালুকদার তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাকে কেন এতে জড়ানো হচ্ছে তা বুঝতে পারছিনা।’

১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছেন কি না তার জবাব এড়িয়ে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, ‘কোনো বেতন নাই তাহলে সে জোর করে কাজ করতে চায় কেন? ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net