ঢাকা   ০৯:০২:৩৫ পিএম, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা মাগুরায় মধুমতী নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত  কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার আগাম বার্তা পাবেন কৃষকরা উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

রুম আছে আসবাবপত্র নাই কুবির সংগঠনগুলোর

সাঈদ হাসান, কুবি|
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৫৩ বার
  • ৬ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে ১৫ বছর পর বিভিন্ন সংগঠনের মাঝে রুম বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে রুম বরাদ্দ দিলেও তাদের কার্যক্রম পরিচলানার জন্য দেওয়া হয়নি কোন আসবাবপত্র। তাই সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যারা।

জানা যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৫ টি সংগঠনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার ২য় তলায় আলাদা কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংগঠনগুলোকে রুম বরাদ্দ দেওয়া হয়ছে ঠিকই কিন্তু প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র চেয়ার টেবিল কোন কিছু দেওয়া হয়নি। যার কারনে ফ্লোরে বসে কয়েকটি সংগঠনকে তাদের সাপ্তাহিক সেশন করতে দেখা যায়। নিয়মিত প্রোগ্রাম করতে তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এবং সাংগঠনিক গতিশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের খামখেয়ালি মনোভাবকে দায়ী করছে সংঠনগুলো।

থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি অর্ক গোস্বামী বলেন, অনেকদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসন সংগঠনগুলোর জন্য রুমের বরাদ্দ করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে নিঃসন্দেহে গতিশীল করবে। তবে এখনও রুমের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের বরাদ্দ আমরা পাইনি। ফলে রুম পেলেও সেখানে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা আশা করবো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রত্যেক সংগঠনের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রদান করে সংগঠনগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য ভূমিকা পালন করবে।

ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক ড. মোহা হাবিবুর রহমান বলেন, আমি সবগুলো সংগঠনের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যা চিহ্নিত করে রেজিস্টার এর সাথে কথা বলেছি। তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচলনার জন্য আসবাবপত্রের প্রয়োজন। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো হল ক্যাম্পাসের প্রাণ। প্রশাসন যদি তাদের সহযোগিতা না করে এক্ষেত্রে আমার তো কিছু করার নাই। রেজিস্ট্রার বলেছে সংগঠনগুলো চেয়ার টেবিল নিজেরা ব্যাবস্থা করবে।

রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোকে রুম দেওয়া হয়ছে। তাদের আসবাবপত্র দেওয়া জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন সম্মতি বা বাজেট এখনও হয়নি। সংগঠনগুলো আসবাবপত্র নিজ দায়িত্ব করে নিবে। তবে কারো কোন সমস্যা থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর আবেদন করবে। সেক্ষেত্রে প্রশাসন বিবেচনা করে দেখবে।

ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম নীতি এবং ব্যবস্থাপনায় যদি থাকে তাহলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সবকিছু দেওয়া হবে।তবে বাজেটে আসবাবপত্রের বরাদ্দ ছিলো না। আমার মনে হয় ধীরে ধীরে সংগঠনগুলোর চাহিদা আমাদের উপচার্য পূরণ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি