1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আজ রশিদ চৌধুরীর জন্মদিন। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রামগড়ে বিজিবির মাসিক নিরাপত্তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত মাগুরায় আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ সরকারি জমিতে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণে যুবদল সভাপতির ৫ লাখ টাকা চাঁদাদাবির অভিযোগ সরকারি চাকরিজীবীদের প্রচলিত ভাতা নির্ধারণ হবে যেভাবে ফ্রান্সের মতো বিক্ষোভে উত্তাল ইতালিও, ১৪১ পুলিশ সদস্য আহত-গ্রেফতার ১৯৭ স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দিলে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি হবে: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ৭০% ভর্তুকি ও বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন মাগুরায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ ইটভাটাকে ১৫লাখ টাকা জরিমানা

আজ রশিদ চৌধুরীর জন্মদিন।

নেহাল আহমেদ।
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬০৬ বার

রশিদ হোসেন চৌধুরী ১৯৩২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজবাড়ী রতনদিয়া গ্রামের একটি জমিদার পরিবারে জন্ম নেন। তার পিতা খানবাহাদুর ইউসুফ হোসেন চৌধুরী এবং মাতা শিরিন নেসা চৌধুরাণী। শৈশবেই তাদের পরিবার স্থানান্তরিত হয়ে নিকটবর্তী বর্তমান রতনদিয়া গ্রামে চলে যায়। তার ডাকনাম কনক।ষাটের দশকে বাংলাদেশে ‘ট্যাপেস্ট্রি’ শিল্পকর্ম হিসেবে আত্ম প্রকাশ করে। দেশ বরেণ্য প্রখ্যাত শিল্পী রশীদ চৌধুরী পাশ্চাত্যের উচ্চ শিক্ষা শেষে এদেশে ট্যাপেস্ট্রির গোড়াপত্তন করেন। এর পরে আশির দশকে প্রখ্যাত শিল্পী আব্দুশ শাকুর শাহ ট্যাপেস্ট্রিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিল্পশিক্ষা মাধ্যম হিসাবে চারুকলায় অন্তর্ভূক্ত করেন।চিরায়ত ফর্ম ভেঙ্গে ট্যাপেস্ট্রিতে পাশ্চাত্যের উত্তর-আধুনিকতার সঙ্গে লোকজ ফর্মের মিশেলে ফুটে উঠেছে আবহমান বাংলার লোকজ জীবনচিত্র। স্মৃতিকাতর শিল্পী পরম ভালোবাসায় পাট-রেশমের মিশ্রণে বুননে ট্র্যাপেস্ট্রিতে বলে গেছেন বাঙালির জীবনযুদ্ধের গল্প।
রশিদ হোসেন চৌধুরী (১ এপ্রিল ১৯৩২- ১২ ডিসেম্বর ১৯৮৫ ) একজন বাংলাদেশী দ্বিতীয় প্রজন্মের শিল্পী, ভাস্কর্য, লেখক এবং অধ্যাপক ছিলেন। তিনি এদেশের শিল্প-সম্পর্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে শিল্প আন্দোলনের অগ্রগতি এবং উন্নতিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর সৃজনশীল প্রচেষ্টা এবং উদ্ভাবনী প্রভাবের জন্য, তিনি অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছেন। ১৯৫০ এর দশকে, তিনি আধুনিক শিল্প আন্দোলনের এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগামী ছিলেন।

রশিদ মাদ্রিদ এবং প্যারিস থেকে শিল্পের ক্ষেত্রে শিক্ষা অর্জন করেছিলেন এবং তাই তাঁর আধুনিক শিল্পকলার একটি পশ্চিমা স্পর্শ তাঁর কাজে লক্ষ করা যায়। সেই সময়কালে, রঙগুলি খুব ব্যয়বহুল হত তবে এটি তার কাজে প্রাণবন্ত রঙ প্রয়োগ করতে থামেনি। তাঁর রচনায়, আধুনিক শিল্পে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য করা গেছে। আর্ট মুভমেন্টের পাশাপাশি বাংলাদেশের চারুকলা সম্পর্কিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ছিল। তাঁর রচনাগুলি এখন বাংলাদেশ ও বিদেশে, বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net