1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লংগদুতে মরা মুরগী বিক্রেতা পুলিশ কতৃক মুচলেকার বিনিময়ে পেয়েছে দায়মুক্তি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

লংগদুতে মরা মুরগী বিক্রেতা পুলিশ কতৃক মুচলেকার বিনিময়ে পেয়েছে দায়মুক্তি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৪১৮ বার

বিপ্লব ইসলাম,

লংগদু উপজেলা প্রতিনিধি।

দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে অধিক মুনাফা লুফে নেয়ার চেষ্টায় মগ্ন সারাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা। তারা মানুষের বিশ্বাস ও সরলতাকে পুঁজি করে প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে যাচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। ঠিক এর ব্যাতিক্রম ঘটেনি লংগদুতেও। ঘটেছে মৃত মুরগীর মাংস বিক্রি করার মতো ঘটনাও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসেও থেমে নেই এক অসাধু পল্ট্রি ব্যবসায়ী। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মুরগী মারা গেলে, ওই মুরগী ফ্রিজে রেখে ক্রেতাদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছেন তিনি। এমনই অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের পল্ট্রি বিক্রেতা মোকসেদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোকসেদ দীর্ঘদিন ধরে ব্রয়লার মুরগীর ব্যবসা করে আসছে। অধিক তাপদাহে কিছুদিন যাবত তার মুরগীগুলো অসুস্থ ও মারা যাওয়ায় অগোচরে সে জবাই করে ফ্রিজে রেখে দেয়। সেখানে তা পঁচন ধরে যায় সেগুলো পরিষ্কার করে আবার ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন। রোজার মাসে এমন অপরাধ মেনে নেওয়া যায় না বলে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রয়লার ব্যবসায়ী মোকসেদ মুঠোফোনে জানান, মুরগীগুলো যখন অসুস্থ হয়ে মারা যায়, তখন যিনি পরিষ্কার করে তাকে বলি ফেলে দিতে। কিন্তু যখন ফ্রিজ থেকে ভাল মুরগী বের করি তখন লোকজন দেখে বলে আমি মরা মুরগী বিক্রি করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মেয়ের জামাই বাড়িতে আসবে তাই দুইটা মুরগী জবাই করে ফ্রিজে রাখি। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পঁচন ধরে যায়।আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মৃত মুরগী বিক্রি করিনি। স্থানীয় এক পাহাড়িকে আমি এনিতেই দিয়েছিলাম। তিনি আরো জানান, মিথ্যা অভিযোগের কারণে আমাকে গুলশাখালী পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এমন কর্মকান্ড আর কখনো হবেনা মর্মে আমাকে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ চান মিয়া জানান, ফাঁড়ি পুলিশ তাকে মরা ব্রয়লার মুরগী বিক্রয়ের অভিযোগে ধরে নিয়ে যায়। পরে পুলিশের কাছে মুচলেকা দিয়ে তাকে নিয়ে আসি।

গুলশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সত্য, আমার কাছ স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে। পরে গুলশাখালী ফাঁড়ি পুলিশ তাকে অভিযোগের ভিত্তিতে ধরে নিয়ে যায় এবং পরে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে আমাদের হেফাজতে ছেড়ে দেয়।

এদিকে পবিত্র মাসেও এমন জঘন্য কাজ করায় বিচারের দাবী জানিয়েছে স্থানীয় নাগরিক ও সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net