1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লংগদুতে মরা মুরগী বিক্রেতা পুলিশ কতৃক মুচলেকার বিনিময়ে পেয়েছে দায়মুক্তি - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত মাগুরার বিভিন্ন দেয়ালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান গ্রাফিতি চিত্র জে.আই. চৌধুরী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাতের লেখা প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে বন্যার্তদের পাশে বিএনপি: সাতকানিয়ায় কৃষক দলের ত্রাণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচিতে মাহবুবুর রহমান শামীম জননিরাপত্তা ও সেবার মানোন্নয়নে নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা মাগুরা জেলা পুলিশের তরিৎ অভিযানে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী উদ্ধার   চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৪ বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মীর হেলাল

লংগদুতে মরা মুরগী বিক্রেতা পুলিশ কতৃক মুচলেকার বিনিময়ে পেয়েছে দায়মুক্তি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৪০০ বার

বিপ্লব ইসলাম,

লংগদু উপজেলা প্রতিনিধি।

দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে অধিক মুনাফা লুফে নেয়ার চেষ্টায় মগ্ন সারাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা। তারা মানুষের বিশ্বাস ও সরলতাকে পুঁজি করে প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে যাচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। ঠিক এর ব্যাতিক্রম ঘটেনি লংগদুতেও। ঘটেছে মৃত মুরগীর মাংস বিক্রি করার মতো ঘটনাও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পবিত্র রমজান মাসেও থেমে নেই এক অসাধু পল্ট্রি ব্যবসায়ী। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মুরগী মারা গেলে, ওই মুরগী ফ্রিজে রেখে ক্রেতাদের কাছে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছেন তিনি। এমনই অভিযোগ উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের পল্ট্রি বিক্রেতা মোকসেদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোকসেদ দীর্ঘদিন ধরে ব্রয়লার মুরগীর ব্যবসা করে আসছে। অধিক তাপদাহে কিছুদিন যাবত তার মুরগীগুলো অসুস্থ ও মারা যাওয়ায় অগোচরে সে জবাই করে ফ্রিজে রেখে দেয়। সেখানে তা পঁচন ধরে যায় সেগুলো পরিষ্কার করে আবার ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন। রোজার মাসে এমন অপরাধ মেনে নেওয়া যায় না বলে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রয়লার ব্যবসায়ী মোকসেদ মুঠোফোনে জানান, মুরগীগুলো যখন অসুস্থ হয়ে মারা যায়, তখন যিনি পরিষ্কার করে তাকে বলি ফেলে দিতে। কিন্তু যখন ফ্রিজ থেকে ভাল মুরগী বের করি তখন লোকজন দেখে বলে আমি মরা মুরগী বিক্রি করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মেয়ের জামাই বাড়িতে আসবে তাই দুইটা মুরগী জবাই করে ফ্রিজে রাখি। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পঁচন ধরে যায়।আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মৃত মুরগী বিক্রি করিনি। স্থানীয় এক পাহাড়িকে আমি এনিতেই দিয়েছিলাম। তিনি আরো জানান, মিথ্যা অভিযোগের কারণে আমাকে গুলশাখালী পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এমন কর্মকান্ড আর কখনো হবেনা মর্মে আমাকে ছেড়ে দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ চান মিয়া জানান, ফাঁড়ি পুলিশ তাকে মরা ব্রয়লার মুরগী বিক্রয়ের অভিযোগে ধরে নিয়ে যায়। পরে পুলিশের কাছে মুচলেকা দিয়ে তাকে নিয়ে আসি।

গুলশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সত্য, আমার কাছ স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে। পরে গুলশাখালী ফাঁড়ি পুলিশ তাকে অভিযোগের ভিত্তিতে ধরে নিয়ে যায় এবং পরে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে আমাদের হেফাজতে ছেড়ে দেয়।

এদিকে পবিত্র মাসেও এমন জঘন্য কাজ করায় বিচারের দাবী জানিয়েছে স্থানীয় নাগরিক ও সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net