1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
তমুদ্দুন মজলিসের অন্যতম সংগঠক,  ভাষা সৈনিক, প্রবীণ সাংবাদিক অধ্যাপক আবদুল গফুর আর নেই - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট কে পৌনে ১ কোটি টাকা জরিমানা জাতীয় নবম বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের সংঘর্ষ, আহত ২ শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক মামলায় ইদ্রিস কোম্পানির সাবিক ডিএমডির ১ বছরের কারাদন্ড বাসসের নেতৃত্বে কাদের গনি চৌধুরী, সিএমইউজের অভিনন্দন চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাড়ৈখালিতে এতিম শিশুদের ওপর নির্যাতন: মিষ্টি জামালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন মাগুরায় নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন মাগুরায় আলোচিত আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদন্ড হাইকোর্টেও বহাল নোয়াখালীর এসপি এন এম নাসিরুদ্দিন এর নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২১ 

তমুদ্দুন মজলিসের অন্যতম সংগঠক,  ভাষা সৈনিক, প্রবীণ সাংবাদিক অধ্যাপক আবদুল গফুর আর নেই

রাত ৮ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৬৮ বার

স্টাফ রিপোর্টার

তমুদ্দুন মজলিসের অন্যতম সংগঠক, মহান ভাষা আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক, প্রবীণ সাংবাদিক ও দৈনিক ইনকিলাবের সাবেক ফিচার সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল গফুর আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ ২৭,০৯,২৪ ইং শুক্রবার দুপুর ২টা ৪৩ মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মরহুমের  ছেলে সাংবাদিক তারেক আল বান্না বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি ভাষা আন্দোলন সুতিকার সংগঠনের তমুদ্দুন মজলিসের  অন্যতম সংগঠক ছিলেন।
আন্দোলনের সকল ক্ষেত্রে সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন  ।
তিনি ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
অধ্যাপক আবদুল গফুর ১৯৪৫ সালে স্থানীয় মইজুদ্দিন হাই মাদরাসা থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৪৭ সালে কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন। পরবর্তীকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হন।
কর্মজীবনে তিনি  ১৯৫৯ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দারুল উলুমের (ইসলামিক একাডেমির) সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে কাজ করেন।
এছাড়াও তিনি চট্টগ্রামে জেলা যুবকল্যাণ অফিসার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৩ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ এবং ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত আবুজর গিফারী কলেজে শিক্ষকতা করেন।এদিকে  ১৯৮০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রকাশনা পরিচালক ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক ইনকিলাবের ফিচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net