ঢাকা   ১০:০২:৩৪ পিএম, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী মনোহরগঞ্জে টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ,অবরুদ্ধ চার পরিবার! সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরায় শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতি ঘটনায় ১১জন গ্রেপ্তার, প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীর মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস

মুন্সীগঞ্জের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এমিলি পারভীন এর অর্থের যোগান দাতা জামাতা তারেকের চৌধুরী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৫৭৫ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

এস কে সানি ( নিজস্ব প্রতিবেদক ):

তারেক চৌধুরী একটি মুর্তিমান আতংকের নাম।শশুর বাড়ির অবৈধ সম্পদে নিজেকে অঘোষিত সম্রাট মনে করেন।

ঋণখেলাপি তারেক চৌধুরী আওয়ামীলীর সরকারের ক্ষমতার দাপটে অবৈধ ইয়াবা ব্যবসায় সাথে জড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগ আছে তার শাশুড়ী এমিলি পারভীন মুন্সীগঞ্জের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

এছাড়া এমিলি পারভীন এর রয়েছে শক্তিশালী কিশোরগ্যাং।শুধু এমিলি নয় তার পুরো পরিবার অবৈধ ইয়াবা ব্যাবসায় জড়িত।কথায় আছে সৎ সঙ্গে স্বর্গে বাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।তারেক চৌধুরী বেলায় ও তেমন টি হয়েছে।

অবৈধ টাকা ও ক্ষমতার লোভে নিজেকে ঠিক রাখতে পারেন নি তারেক চৌধুরী। তারেক চৌধুরী এমিলি পারভীন এর অর্থের যোগানদাতা।

এমিলি পারভীন এর নির্বাচনে তারেক চৌধুরী ২ কোটি টাকা ইনভেস্ট করেছে।
এছাড়া তারেক চৌধুরী ইমেজ কে কাজে লাগিয়ে শাশুড়ী এমিলি পারভীন ও তার পরিবার বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকতো।
তার বিরুদ্ধে রয়েছে ঋণ খেলাপির অভিযোগ।

এছাড়া বিদেশে অর্থ পাচার ও বাড়ি কেনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালে এসআইবিএল ব্যাংক থেকে ১৪ কোটি টাকা ঋণ নেন তিনি। সেই টাকা পরিশোধ না করে আবারও নিউ ওয়েস্ট গার্মেন্টেস এর নামে ৫০ কোটি টাকা ঋণ নেন। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া সেই প্রতিষ্ঠান ২০২০ বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর আর সেই টাকা পরিশোধ করেননি তিনি। উল্টো ২০১৯ সালে দেশের বাইরে সব টাকা পাচার করেন তারেক।

এখানেই শেষ নয়, ডিবিএল নামক এক প্রতিষ্ঠানকে নিজ ভবনের ফ্লোর ভাড়া দিয়ে জুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সেই প্রতিষ্ঠানে নিজ ম্যানেজার সোলেহসহ সন্ত্রাসি দিয়ে হামলাও চালান তিনি।

এ ঘটনায় সোহেলসহ বেশকজনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ডিবিএলের ম্যানেজার।

এবিষয়ে প্রতিবেদকের হাতে একাধিক সিসি টিভির ফুটেজ চলে আসে যেখানে দেখা যায় সংঘবদ্ধ কিশোরগ্যাং নিয়ে তারেক চৌধুরীর লোকজন হামলা চালিয়ে চলে যাচ্ছে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি তারেক চৌধুরীর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি