1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পদ্মার শাখায় আর ভাগ্য ফেরে না জেলেদের - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রামগড়ে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চাল বিতরণ, বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা সাতকানিয়া আমিলাইষে দুর্গোৎসবে ১০০ পরিবারকে বস্ত্র উপহার দিলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান  কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার অনাবাসিক শাখার উদ্বোধন গত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে” মাগুরায় এমপি মনোয়ার হোসেন খান মাগুরায়  ৭৫ জন অসহায়কে আর্থিক সহায়তা ও নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত  মাগুরার শ্রীপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানায় আগুন কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, নিহত অন্তত ৪ সাতকানিয়ায় IBWF-এর উদ্যোক্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পদ্মার শাখায় আর ভাগ্য ফেরে না জেলেদের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৪৬২ বার

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি :-

শত বছর ধরে দারিদ্র্যের সঙ্গে বসবাস মৎস্যজীবি জেলেদের। নাও ,বৈঠা বেয়ে কোনমতে জীবন চলে তাদের। পদ্মার তীরবর্তী মানুষের একটি অংশ মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করেন। ভাদ্র, আষিণ, কার্তিক এই ৩ মাসে পর্যাপ্ত মাছ মিললেও বাকি ৯ মাসে চলে না সংসার। দীর্ঘ ৯ মাস পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় ঋণগ্রস্ত হয় তারা। ঋণের মাঝেই নৌকা মেরামতের প্রয়োজন পড়ে।বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এনজিও থেকে নিতে হয় লোন। এভাবেই দিনে দিনে আরও ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মার তীরবর্তী জেলেরা।

অভাবে যোগাতে পারেন না শিশুদের পুষ্টি , মানসম্মত পোশাক, বাসস্থানের চাহিদা।ভুমিহীন জেলেদের জীবনসংগ্রামের ভাঙা গড়ার খেলায় হার মানতে হয় প্রকৃতির কাছে। এমন জীবনই মানিয়ে নিয়েছেন এই গোষ্ঠীটি।

বেলে, রুই, কাতল, ইঠা, চিংড়ি মাছ ধরে দেশে আমিষের চাহিদা পুরণে ভুমিকা রাখলেও জেলেদের খোঁজ নেই না কেউ। এমন নিঃস্বার্থ সংগ্রাম থাকে সবার দৃষ্টির আড়ালে।
উপজেলার সুলতানগঞ্জ, সারাংপুর,হাটপাড়া, কেল্লাবারুই পাড়া,রেলবাজার,মাদারপুর,উজানপাড়া সহ পদ্মা তীরের বিদিরপুর, প্রেমতুলি এলাকায় ২৮৩২ জন জেলে পরিবারের বসবাস। ঝড় ঝঞ্ঝা উপেক্ষা করে মাছ ধরার নেশায় নদীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যান তারা। প্রাকৃতিক বাঁধার মুখে পরিবারের সকলের মুখে দুমুঠো খাবার দেওয়াই তাদের নিত্য দিনের সংগ্রাম।

গোদাগাড়ী উপজেলার হাটপাড়া পদ্মা তীরের ভগবন্তপুরের বাসিন্দা মৃত গান্দু মিয়ার ছেলে ফুরাদ জানান, নদীতে পানি নাই, স্রোত নেই আগের মত। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পর থেকেই নদীর এমন অবস্থা। কয়েক দশক আগেও পদ্মায় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত।এখন আর তেমন পাওয়া যায় না। ভাদ্র, আষিণ, কার্তিক মাসে যা মাছ পাই তাতে খেয়ে পড়ে কিছুটা ঋণ পরিশোধ করি।বাকি ৯ মাসে আবার ধার- দেনা করতে হয়।ছেলেমেয়ের মুখে পুষ্টিকর খাবার দিতে পারি না, পড়াশোনাও করাতে পারি না। ভালো পোশাক -আশাক দিতে পারি না। বাড়িঘর নিয়েও আতঙ্কে থাকি।ঝড় বাতাস এলেই ভয় হয়, কখন ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে যায়। বাপ-দাদার আমল থেকে মাছ মেরে খায় আমরা।তাই এই পেশা ছাড়তে পারি না। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোন সাহায্য সহযোগিতা আমরা পাইনি।এই সরকারের কাছে আমরা সহযোগিতা চাই।

একই এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে বাইতুল বলছিলেন, আমার সংসারে ৫ জন সদস্য। মাছ ধরে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। ইনকাম নাই, মাছ পাই না এখন। কি করে সংসার চালাবো।৩ মাসের ইনকাম দিয়ে কি সারাবছর চলা যায়। উপায় না পেয়ে মানুষের কাজ করতে হয়।কিস্তি নিতে হয়।আমাদের খুব সমস্যা হয় মাছ না পাওয়ার কারণে।বাপ-দাদার পেশা ছাড়তে পারি না।এভাবেই চলতে হয়।

সিনিওর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ অহেদুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, গোদাগাড়ী উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় মোট ২৮৩২ জন জেলে আমাদের তালিকায় আছে।এদের মধ্যে ১২৯০ জনকে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়েছে। ২৫ কেজি করে চাল আমরা তাদেরকে দিতে পেরেছি।ভুমিহীন জেলেদের পুনর্বাসনের বিষয়ে সরকারি কোন নির্দেশনা এই মুহুর্তে নেই। পেলে তখন সেটা দেখা যাবে।

এ বিষয়ে জানতে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ কে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net