1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় পেয়ারা চাষে চমক দেখালেন বারইপাড়া গ্রামের রাশিদুল ইসলাম কনা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে এসিল্যান্ডের অভিযান, ৩ মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবনে নতুন আশার আলো, পাশে দাঁড়াল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে সিএনজি স্টেশনে চাঁদাবাজি অভিযোগে মিছিল হাটহাজারী মাদরাসায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নৃত্য, গান, কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধাঞ্জলি বরুড়ায় আর্মি ছেলে পরিচয়ে নালিশী নিষেধাজ্ঞা ভূমি বেদখলের চেষ্টা  আসামী সুশেনের বিরুদ্ধে 

মাগুরায় পেয়ারা চাষে চমক দেখালেন বারইপাড়া গ্রামের রাশিদুল ইসলাম কনা

মোঃ সাইফুল্লাহ;
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৬১৫ বার

মাগুরায় পেয়ারা চাষে চমক দেখালেন মাগুরা শ্রীপুরের বারইপাড়া গ্রামের কৃষক রাশেদুল আলম কনা। তিনি মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের মরহুম রওশন আলী বিশ্বাসের দ্বিতীয় পুত্র।
তিনব ১৫ বিঘা জমিতে সুস্বাদু পেয়ারার চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। প্রতিদিন অনেকেই আসছে তার এই বাগান দেখতে। তার এই সফলতা দেখে এখন অনেকেই পেয়ারা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তার কাছ থেকে অনেকেই পেয়ারা চাষ বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ নিচ্ছেন।

পেয়ারা চাষি রাশেদুল ইসলাম কনা বলেন, ২০১৯ সালে ১৫ বিঘা জমিতে ‘থাই পেয়ারা বারি-৫ ও থাই পেয়ারা বারি-৮’ জাতের ৫ হাজার পেয়ারার চারা রোপণ করি। কোটচাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উন্নতমানের এই পেয়ারার চারা সংগ্রহ করা হয়। ২০২০ সাল থেকে গাছে ফল ধরা শুরু হয়। এখন প্রতিদিন এ বাগান থেকে ২০ থেকে ২৫ মন পেয়ারা তোলা যায়। বছরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয় হলেও প্রতিবছর ৪০ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। এছাড়া একই জমির চারপাশে দেশী কাগজি লেবুসহ আরো ৫ বিঘা জমিতে মসুর, লাউ, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজির এক সমন্বিত চাষ।

পেয়ারার চাষ সম্পর্কে তিনি আরো জানান, বেলে-দোঁয়াশ মাটিতে পেয়ারার ভালো ফলন পাওয়া যায়। তাছাড়া পেয়ারা চাষের জন্য মূলত গাছের পরিচর্যার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কাটিং, পেয়ারা ব্যাগিং করলে বেশি ভালো হয়। আর আমি এ পদ্ধতিতেই চাষ করছি। তবে উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা বাগান দেখে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে গেছেন।

পেয়ারা বাগান পরিচর্যাকারী শফিকুল আলম দানা বলেন, প্রতিদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বাগান থেকেই পেয়ারা নিয়ে যাচ্ছে। এখানে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালমা জাহান নিপা জানান, বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশজ ফল উৎপাদন বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। রাশেদুল ইসলাম কনা উপজেলার সফল ফল চাষিদের মধ্যে অন্যতম। তার দেখা দেখি অনেকেই পেয়ারা চাষ করেছেন আমরা জানতে পেরেছি। শ্রীপুর উপজেলায় বিগত ৫ বছরে ফল উৎপাদন প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net