1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কঠোর হওয়ার বিকল্প নেই - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন মাগুরায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ ইটভাটাকে ১৫লাখ টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে কাজীর ওপর হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জামায়াতের মাগুরায় মাদক বিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেফতার -২ ৪ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি প্রাইভেট কার ১টি মোটরসাইকেল ও ৬ লক্ষ টাকা উদ্ধার! মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের খুলনা বিভাগীয় লং মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চাল বিতরণ, বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা সাতকানিয়া আমিলাইষে দুর্গোৎসবে ১০০ পরিবারকে বস্ত্র উপহার দিলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান  কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার অনাবাসিক শাখার উদ্বোধন গত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে” মাগুরায় এমপি মনোয়ার হোসেন খান মাগুরায়  ৭৫ জন অসহায়কে আর্থিক সহায়তা ও নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত 

কঠোর হওয়ার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয় | মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার _|

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭০১ বার

এটা অত্যন্ত ভয়াবহ ব্যাপার যে করোনাকালেও থেমে নেই ভেজালকারীরা। জীবনরক্ষাকারী ওষুধও এখন ভেজাল ও মানহীন। এসব ওষুধ খেলে রোগ-বালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে তো দূরের কথা উল্টো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। নকল ও ভেজাল ওষুধ নিয়ে কম কথা হয়নি। কিন্তু এর বিপরীতে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা সন্তোষজনক নয়।

রোগব্যাধি হলে ওষুধ খেয়ে জীবন রক্ষা করে মানুষ। কিন্তু সেই ওষুধেও ভেজাল থাকাটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। মানহীন ও ভেজাল ওষুধ খেয়ে রোগ সারার বদলে আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, দেশে ওষুধের উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত কোনো স্তরেই সরকারি পরীক্ষাগারে মান নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় না। বিপণনের পর অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান। তখন ওষুধের মান জানা যায়। এর আগ পর্যন্ত পরীক্ষাহীন, মান না জানা ওষুধই ব্যবহার করে মানুষ। এভাবেই ওষুধ কোম্পানিগুলো এ দেশের মানুষকে রীতিমতো গিনিপিগে পরিণত করেছে। এক হিসাব দেখা যায়, প্রতিবছর ১২ হাজার আইটেমের ওষুধ বাজারে আসছে। কিন্তু ওষুধ প্রশাসনের যে লোকবল ও যন্ত্রপাতি রয়েছে তাতে তারা মাত্র সাড়ে তিন হাজার আইটেম ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করতে পারে। বাকি ৭০ শতাংশ ওষুধের মান যাচাইহীন অবস্থায় রয়ে যায়।

দুঃখজনক হচ্ছে যে, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি ও বাজারজাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-র মতে, ওষুধ উদ্ভাবনকারী ছাড়া জেনেরিক বা বর্গনামে ওষুধ প্রস্তুত করাই হচ্ছে নকল ওষুধ। তৃতীয় বিশ্বের প্রতিটি দেশেই বর্গনামে ওষুধ প্রস্তুত চলছে। ফলে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। অনেক কোম্পানি জেনেশুনে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। অথচ বাংলাদেশে ওষুধ একটি বিকাশমান শিল্প। ১২৭টি দেশে আমাদের তৈরি ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতেও ওষুধশিল্প বড় ভূমিকা রাখছে। শুধু তাই নয়, জীবন রক্ষাকারী মূল্যবান অনেক ওষুধও এখন আমাদের দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। সার্বিক বিবেচনায় শুধু জনস্বার্থই নয়, কোম্পানিগুলোর নিজ স্বার্থেও ওষুধের মান ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।

মনে রাখা দরকার ওষুধ কোনো সাধারণ পণ্য নয়। জীবন রক্ষার জন্য ওষুধের গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য ওষুধ কোম্পানিগুলো যাতে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সেটি জোর নজরদারিতে রাখতে হবে। স্বাস্থ্যখাতে সরকারের অর্জন কম নয়। কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে সেটি ভেস্তে যাক এটি কাম্য হতে পারে না। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ বিষয়ে আমরা সরকারের কঠোর অবস্থান দেখতে চাই।

লেখকঃ বিশেষ প্রতিবেদক শ্যামল বাংলা ডট নেট _| সাবেক কাউন্সিলরঃ বিএফইউজে-বাংলাদেশ _| সদস্য ডিইউজে _|

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net