1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অভিনন্দন ইশরাক ও তাবিথকে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের স্মারকলিপি প্রদান হাটহাজারী মাদরাসা ছাত্র আরিফুল ইসলামের আকস্মিক মৃত্যু : মাগফিরাত কামনায় জামেয়ার মহাপরিচালক আলেমগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেই জুলাই আন্দোলন সফল হয় : আল্লামা শেখ আহমদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কোম্পানীগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  কোম্পানীগঞ্জে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত  “স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচার করেন, জনগণ আপনাদের ছাড়বে না: সাক্কু ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে পার্কভিউ হাসপাতাল আমিলাইষে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে ২ হাজার রোগীকে সেবা, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৩ আসামী গ্রেফতার

অভিনন্দন ইশরাক ও তাবিথকে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৫৩২ বার

: এম. আবদুল্লাহ :
অভিনন্দন টগবগে তারুণ্যদীপ্ত প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ও তাবিথ আউয়ালকে। তারা কথা রেখেছেন। শেষ পর্যন্ত লড়েছেন, মাঠে ছিলেন। হুংকার দিয়ে নগর কাঁপিয়েছেন। দলবাজ ও মেরুদণ্ডহীন ভোট কর্মকর্তাদের দিনভর তটস্থ ও চাপে রাখার চেষ্টা করেছেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, দল হিসেবে বিএনপির মহানগর, থানা, ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা শক্তি সামর্থ্য নিয়ে দুই প্রার্থীর পাশে থাকতে, অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পরিস্কার ব্যর্থ হয়েছেন। পর্দার আড়ালে অদৃশ্য চাপে ভড়কে গিয়ে নিজেদের গুটিয়ে রেখেছেন। দল ও জোটগতভাবে লড়াই করা দূরে থাক কেন্দ্রমুখী হয়ে ন্যুনতম শক্তির জানান দেননি। কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা অজ্ঞাত কারণে হারার আগেই আত্মসমর্পণ করে বসেছিলেন।

তবে সাধারণ ভোটারদের একাংশ সাহস করে গিয়ে কেউ কেউ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছেন, আবার অনেকেই গেটে ও গোপন বুথে নাজেহাল হয়ে কষ্ট নিয়ে ফেরার সময় তওবা করেছেন। দলীয় সরকারের অধীনে তারা হয়তো আর কখনোই ভোট দিতে যাবেন না। ভোটারের বড় অংশ বাসায় বসে টিভি ও সামাজিক মাধ্যমে নজর রেখেছেন কেন্দ্রের পরিবেশের দিকে। হিসেব কষেছেন ভোট দিলে তা ফলাফলে আদৌ প্রতিফলন ঘটবে কিনা। সকাল থেকে ধানের শীষ মার্কার এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা ও পিটুনি দেওয়া, খোদ প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ দেখে তারা লেপ-কম্বল ছেড়ে আড়মোড়া ভাঙার প্রয়োজন অনুভব করেন নি।

বিকেলে নয়াপল্টনে কয়েকশো নেতাকর্মীর বীরত্ব দেখে আমার হাসি পেয়েছে, বিরক্ত হয়েছি। বিএনপির দৌড় কি তাহলে নয়াপল্টন পর্যন্ত। সারাদিন তারা কোথায় ছিলেন? কেন দশটি কেন্দ্রেও শক্তি প্রদর্শন করতে পরেননি? বিক্ষোভ করলে তা গোটা ঢাকাজুড়ে নয় কেন? কোথাও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে উল্লেখ করার মত সংঘাত হয়েছে? বড়ো ধরনের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া? আমার জানা নেই। মহাসচিব মির্জা ফখরুল দুপুরে যখন বললেন- ‘ডোন্ট লিভ দ্য সেন্টার’ তখন তাকে বলতে ইচ্ছে করেছে, কেন্দ্রে থাকলেইতো ফিরে যাওয়ার প্রশ্ন।

শেষ পর্যন্ত রাতে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে হরতাল ডেকেছে বিএনপি। ২০১৫ সালের পর এই প্রথম হরতালের কর্মসূচি দিল দলটি। এখন দেখার বিষয় হরতাল সফলে মাঠে নামে কিনা। নাকি ফেসবুকীয় হরতাল পালন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net