ঢাকা   ০২:৫২:১৩ এএম, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী মনোহরগঞ্জে টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ,অবরুদ্ধ চার পরিবার! সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরায় শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতি ঘটনায় ১১জন গ্রেপ্তার, প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীর মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস

অভিনন্দন ইশরাক ও তাবিথকে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৫৯২ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

: এম. আবদুল্লাহ :
অভিনন্দন টগবগে তারুণ্যদীপ্ত প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ও তাবিথ আউয়ালকে। তারা কথা রেখেছেন। শেষ পর্যন্ত লড়েছেন, মাঠে ছিলেন। হুংকার দিয়ে নগর কাঁপিয়েছেন। দলবাজ ও মেরুদণ্ডহীন ভোট কর্মকর্তাদের দিনভর তটস্থ ও চাপে রাখার চেষ্টা করেছেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, দল হিসেবে বিএনপির মহানগর, থানা, ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা শক্তি সামর্থ্য নিয়ে দুই প্রার্থীর পাশে থাকতে, অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পরিস্কার ব্যর্থ হয়েছেন। পর্দার আড়ালে অদৃশ্য চাপে ভড়কে গিয়ে নিজেদের গুটিয়ে রেখেছেন। দল ও জোটগতভাবে লড়াই করা দূরে থাক কেন্দ্রমুখী হয়ে ন্যুনতম শক্তির জানান দেননি। কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা অজ্ঞাত কারণে হারার আগেই আত্মসমর্পণ করে বসেছিলেন।

তবে সাধারণ ভোটারদের একাংশ সাহস করে গিয়ে কেউ কেউ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছেন, আবার অনেকেই গেটে ও গোপন বুথে নাজেহাল হয়ে কষ্ট নিয়ে ফেরার সময় তওবা করেছেন। দলীয় সরকারের অধীনে তারা হয়তো আর কখনোই ভোট দিতে যাবেন না। ভোটারের বড় অংশ বাসায় বসে টিভি ও সামাজিক মাধ্যমে নজর রেখেছেন কেন্দ্রের পরিবেশের দিকে। হিসেব কষেছেন ভোট দিলে তা ফলাফলে আদৌ প্রতিফলন ঘটবে কিনা। সকাল থেকে ধানের শীষ মার্কার এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা ও পিটুনি দেওয়া, খোদ প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ দেখে তারা লেপ-কম্বল ছেড়ে আড়মোড়া ভাঙার প্রয়োজন অনুভব করেন নি।

বিকেলে নয়াপল্টনে কয়েকশো নেতাকর্মীর বীরত্ব দেখে আমার হাসি পেয়েছে, বিরক্ত হয়েছি। বিএনপির দৌড় কি তাহলে নয়াপল্টন পর্যন্ত। সারাদিন তারা কোথায় ছিলেন? কেন দশটি কেন্দ্রেও শক্তি প্রদর্শন করতে পরেননি? বিক্ষোভ করলে তা গোটা ঢাকাজুড়ে নয় কেন? কোথাও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে উল্লেখ করার মত সংঘাত হয়েছে? বড়ো ধরনের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া? আমার জানা নেই। মহাসচিব মির্জা ফখরুল দুপুরে যখন বললেন- ‘ডোন্ট লিভ দ্য সেন্টার’ তখন তাকে বলতে ইচ্ছে করেছে, কেন্দ্রে থাকলেইতো ফিরে যাওয়ার প্রশ্ন।

শেষ পর্যন্ত রাতে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে হরতাল ডেকেছে বিএনপি। ২০১৫ সালের পর এই প্রথম হরতালের কর্মসূচি দিল দলটি। এখন দেখার বিষয় হরতাল সফলে মাঠে নামে কিনা। নাকি ফেসবুকীয় হরতাল পালন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি