1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্তের নিন্দা ঐক্যফ্রন্টের - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নবীনগরে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে ইউএনও’র অভিযান, ড্রেজার মেশিন ধ্বংস আইফোন নয় পাওনা টাকা চাওয়াতে অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা মাগুরায় গড়াই নদীর তীব্র ভাঙনে ফসলি জমি বিলীন! হুমকিতে কোদলা গ্রামের ৫ শত পরিবার ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঁদুর রঙ মিশ্রণে মরিচ লাল করায়, লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর  চৌদ্দগ্রামে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ শাড়ি জব্দ ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ ও দ্রুত বিচার দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা

পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্তের নিন্দা ঐক্যফ্রন্টের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০
  • ৪০৪ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদারঃ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী ৫১ হাজার শ্রমিকের চাকরিচ্যুত করার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঐক্যফ্রন্টের দফত প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানােনা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় খাতের সবগুলো পাটকল সরকার বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাটকলগুলোয় বর্তমানে স্থায়ী শ্রমিক আছেন ২৪ হাজার ৮৮৬ জন। এছাড়া তালিকাভুক্ত বদলি ও দৈনিক ভিত্তিক শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার। অর্থাৎ ৫১ হাজার কর্মীর পরিবারের অন্তত আড়াই লাখ মানুষের জীবনে এক চরম বিপর্যয় তৈরি করা হচ্ছে। এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, যখন করোনা প্রাদুর্ভাবে কোটি কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পদক্ষেপ নেয়া দূরে থাকুক, সরকার বর্তমানে কর্মে নিযুক্ত মানুষকেও কর্মচ্যুত করছে।

এতে বলা হয়, পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়ার কারণ হিসেবে পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, গত ৪৮ বছরে সরকারকে এই পাট খাতে ১০ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা লোকসান দিতে হয়েছে। অথচ এক ওয়াট বিদ্যুৎ না কিনে গত ১০ বছরে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ সরকারের অতি ঘনিষ্ঠ বিরাট কয়েকজন ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে ৫২ হাজার কোটি টাকা। পাট খাতে যে লোকসান হয় সেটার জন্য শ্রমিকরা কোনোভাবেই দায়ী নয়। রাষ্ট্রায়ত্ত আর সব খাতের মতো প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণেই এই শিল্পগুলোতে লোকসান হয়। সেই ব্যর্থতার মূল্য আজ দিতে হচ্ছে শ্রমিকদের। এই চাকরিচ্যুতির আগেও দফায় দফায় শ্রমিকদেরকে রাস্তায় নামতে হয়েছে তাদের বকেয়া মজুরি আদায়ের দাবিতে। তথাকথিত ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ রাষ্ট্রটি তার অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করা নাগরিকদের বেতন মাসের পর মাস বাকি রেখেছিল। এখন সেই শ্রমিকদের ওপর নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাটকলগুলো পরবর্তী সময়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় চলবে। সরকারের অতীত রেকর্ড থেকে এই আশঙ্কা করার খুবই যৌক্তিক কারণ আছে, শেষ পর্যন্ত এই পাটকল এবং এর সব সম্পত্তি সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তির হাতে তুলে দেয়া হবে নামমাত্র মূল্যে। সরকারের এই সিন্ধান্ত দেশের পাটকল শিল্পকে ধ্বংস করে পশ্চিম বাংলার মৃতপ্রায় পাটকল কারখানাগুলো চালু করার নীলনকশারও অংশবিশেষ বলে প্রতীয়মান হয়। সবকিছু বিবেচনায় সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাই আমরা। এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত রদ করার লক্ষ্যে পাটকলগুলোর শ্রমিকদের যেকোনো কর্মসূচির প্রতি আমরা সংহতি জানাই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net