ঢাকা   ০২:৫৫:২৫ পিএম, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক কুমিল্লার গাংচরে বহুতল ভবনে ফাটলের পর হেলে পড়েছে, মালিকের দাবি ইঁদুরের কাণ্ড মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাগুরা-১ আসনের এম পি মনোয়ার খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত কুমিল্লায় শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন, থাকছে ফ্রি পার্ক রাইড উপভোগের সুযোগ নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাষ্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের গালিগালাজ করার অভিযোগ পরীমনির বিরুদ্ধে, বিচারপ্রার্থীর ‘মাথা ফাটালেন’ তার নিরাপত্তারক্ষীরা মোংলা বন্দর হবে সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী বয়সের ব্যবধান ৫০ বছর: শ্রীলীলার সঙ্গে জুটি বাঁধছেন রজনীকান্ত

রংপুরে গরুর সংক্রামক ব্যাধী লাম্পি স্কিন রোগে মহামারীর আশংকায় দিশেহারা মানুষ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০
  • ৩৩৪ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু, রংপুর : রংপুর বিভাগে বিভিন্ন উপজেলায় ভয়াবহ রূপ ধারণ করেই চলেছে গরুর সংক্রামক ব্যাধী লাম্পি স্কীন রোগ।

রংপুর বিভাগের আটটি জেলার প্রায় প্রতিটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে দুরারোগ্য ব্যাধিটি। কার্যকরি প্রতিষেধক না থাকায়, দুঃশ্চিন্তায় পশু পালনকারীরা। অনেক পরিবারের একমাত্র গরুর দুধ বিক্রি করেই জীবনযাপন করে আসছিলো। বেশিরভাগ পরিবারের আয়ের উৎস গবাদিপশু পালনের ওপর নির্ভর করে। পরিবার পরিজন নিয়ে দু’বেলা দু’মুঠো ভাত কোন রকমে খেয়ে পরে চলে। সেখানে এই রোগের কারণে অনেক পরিবারকে সর্বস্বান্ত হতে হয়েছে।

একদিকে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ বেড়েই চলেছে। অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে উদ্বিগ্নতার সাথে বসবাস করছে। অন্যদিকে গবাদিপশুর লাম্পি রোগের কারণে অনেক পরিবারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মধ্যবিক্ত ও নিম্ন মধ্যবিক্তরাও। সরকারের কাছে গবাদিপশু পালনকারীরা এর উপযুক্ত চিকিৎসার দাবি জানান।

জানা যায়, রংপুরের গংঙ্গাচড়া উপজেলার ডাঙ্গীপাইকানসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিটি বাড়িতে গরুর শরীরে দেখা দিয়েছে সংক্রামক রোগ লাম্পি। ভুক্তভোগীরা বলছেন, গরুর শরীরে হঠাৎ করেই দেখা দেয় গুটি, সেই সাথে ফুলে উঠে গলা আর পা। আর ক্ষতস্থান থেকে খসে পড়ে মাংস। এই সুযোগে কিছু কিছু গ্রাম্য ডাঃ ও ফার্মেসীরা হাতিয়ে নিচ্ছে গরুপ্রতি চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা।

এদিকে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত দুই মাসে উত্তরের প্রায় আটটি জেলায় কয়েকগুণ বেড়েছে এই দুরারোগ্য লাম্পিরোগ। কোনো প্রতিষেধক না থাকায়, আতঙ্কে দিন কাটছে এই অঞ্চলের মানুষের।
তাদের কৌতহল বেড়েই চলেছে। সবার মুখে মুখে কথা চালাচালির ঝড় উঠেছে। তা হলো- ডাঃ সাহেবরা তাহলে কী ঔষধ ব্যবহার করছে!

এ বিষয়ে জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সংক্রমণ রোধে গোয়াল ঘরের মশা মাছি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া চিকিৎসায় কোন ভূমিকায় নেই তাদের। তাদের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের মাঝামাঝি চট্টগ্রামে প্রথম গরুর শরীরে লাম্পি রোগ ধরা পড়ে। পরে রংপুরে রোগটি দেখা দেয় ডিসেম্বরে। ভুক্তভোগী পশু পালনকারীরা বলছেন, এখুনি এ রোগের প্রতিষেধক বের করতে না পারলে দেশে দুর্ভিক্ষের পাশাপাশি করোনায় চিকিৎসার অভাবেও মারা যাবে মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি