1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনা পরীক্ষায় নয়ছয়: রিজেন্টের পর সাহাবউদ্দিন মেডিকেল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
তারেক রহমানের নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নে সব বাঁধা প্রতিহত করা হবে- জয়নুল আবেদীন ফারুক এমপি মাগুরার শ্রীপুরে সরকারি জমি অবৈধ ভাবে দখল করে বালু ফেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে জরিমানা আদায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট, অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে চোরের রাজত্ব, প্রশাসন ব্যর্থ? একের পর এক চুরি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জনমনে  কর্ণফুলীতে পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রেস ক্লাবের নিন্দা রুহুল কবির রিজভীকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় বায়েজিদে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় কুমিল্লা-৯ আসন এমপিকে সংবর্ধনা  বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ – মাগুরায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম  ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্বনবির আদর্শ অনুসরণেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ

করোনা পরীক্ষায় নয়ছয়: রিজেন্টের পর সাহাবউদ্দিন মেডিকেল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩৬৯ বার

এম এ মজুমদার ঃ স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে আসছিল রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এছাড়া তারা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে তিন হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসব অভিযোগে হাসপাতালটিতে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব। অভিযানে অসহযোগিতা করায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবুল হাসনাতকে হাতকড়া পরিয়ে র‍্যাব হেফাজতে নেয়া হয়েছে।অভিযানে নেতৃত্বদানকারী র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, হাসপাতালটিতে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তাদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় অনুমোদন বাতিল করা হয়। এর পরও তারা কোভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা বাইরের রোগীদেরও টেস্ট করেছে। এ টেস্টগুলো অননুমোদিত ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে। যে রিপোর্ট দিয়েছে তা সবই ভুয়া।সারোয়ার আলম আরও বলেন, দ্বিতীয় অভিযোগ হলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে। তৃতীয়ত তারা কিছু পণ্য যেমন মাস্ক, গ্লাভস-এগুলো একাধিকবার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত একবারই ব্যবহারযোগ্য (ওয়ানটাইম ইউজেবল)। কিন্তু তারা এগুলো বারবার ব্যবহার করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net