1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গণমাধ্যমের পরাজয় - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি আনোয়ারায় তিন দোকানীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ভক্তিয়ারপাড়া চারপীর আউলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি-৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা ও রক্তদান কর্মসুচির উদ্ভোধন মাগুরায় বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ‘রাজা’, সাধারণ সম্পাদক ‘রেজাউল’ নির্বাচিত রাঙ্গাবালীতে ভেরিফিকেশনে আটকে গেল ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী সোহানের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন মাগুরায় বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের এলাকাভিত্তিক নেতাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ট-ব্লকে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত বাড়ি-ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত কমিটির সভা কর্ণফুলী প্রেসক্লাবের মাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গণমাধ্যমের পরাজয়

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩৮১ বার

বাতেন বিপ্লব :
আমার বন্ধু মাহমুদ সোহেল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্দান্ত মেধাবী ছাত্র। পরিচয়ের শুরু থেকেই সাংবাদিকতা করতে দেখেছি। আমি তখন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।রেডিও তেহরানের বুম (মাইক্রোফোন) হাতে নিয়ে প্রায়ই হলে আসতো। স্যার এ এফ রহমান হলের ১০১ নম্বর রুমে সোহেলের উপস্থিতি রুমমেটদের সবাইকে উৎসাহীত করে তুলতো। সে সময়ের সাংবাদিকতা মানে বিরাট ক্রেজ। বন্ধুর ক্রেজ দেখে ভেতরে ভেতরে উৎসাহ বাড়তে থাকলো। একই সময়ে আমার আর এক বন্ধু সাইদুল ইসলাম দৈনিক পত্রিকায় তার নামে (বাই লাইন) প্রকাশিত নিউজ হাতে নিয়ে ঘোরে। পুরাই পার্টসার্ট নিয়ে থাকে ওরা। এই সাঈদ-ই প্রথম আমাকে উৎসাহ দেয়। একদিন এক প্রকার জোর করে ধরে নিয়ে একটি নিউজ এজেন্সীতে নাম ঠুকে দেয়। সেই থেকে আমিও সোহেল-সাঈদদের দেখানো পথে চলছি। মনে আছে সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির সোনালী দিনের কথা। ২০০৪ সাল, সহ-অবস্থান থাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মুখোমুখী মিছিল সমাবেশ ছিল ক্যাম্পাসের প্রাণ। মধুর ক্যান্টিনে পাশাপাশি টেবিলে বসে চায়ের আড্ডা, শালিক চত্ত্বর, আইবিএ ক্যান্টিন, হাকিম চত্ত্বর, বেলালের চায়ের দোকান, নাট মণ্ডল, আমতলা, বটতলা, ক্যাম্পাস স্যাডো সবখানের তরুণ-অরুণের বাধ-ভাঙা উচ্ছ্বাস। এসব আড্ডায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের বিরাট কদর। সেই প্রানোচ্ছল ক্যাম্পাসে ঘুরে ঘুরে সংবাদ সংগ্রহ করার সব থেকে কাছের বন্ধুই মাহমুদ সোহেল। একটা পাঙ্কু টাইপ বাই সাইকেল ছিলো সোহেলের। সেটার ক্যারিয়ার না থাকায় সাইকেলটা সাথে নিয়ে দু’জন হেঁটে চলতাম। কত দুষ্টামি, কত শিরোনামহীন গল্প ! দিনশেষে সাংবাদিক সমিতি। এরপর টানা ১৫-১৬ বছর সাংবাদিকতার চড়াই উৎরাই দেখেছি। ৯/১১,১/১১, বিডিআর বিদ্রোহসহ বহু ঘটনায় একসাথে কাজ করেছি। কাছ থেকে দেখা একজন ভালো মনের মানুষ আমার এই বন্ধুটা। সবশেষ, একটা লেম এক্সকিউজে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এসএটিভি কর্তৃপক্ষ সোহেলকে চাকুরীচ্যুত করে।সেদিন বিনা প্রতিবাদে হাসিমুখে সোহেলেক চলে যেতে দেখেছি। ভালোবাসার গণমাধ্যমে তার আর ঠাঁই হয়নি। দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে কন্ঠ উচ্চকিত করার দুর্বার সাহস নিয়ে গণমাধ্যমে আসা ছেলেটির ১৬ বছর সভ্যতার অন্ধকার গহ্বরে হারিয়ে গেলো।
আজ জীবনের তাগিদে ভিন্ন পথ খুঁজছে সোহেল
হয়ত কাল আমি কিংবা পরশুদিন অন্যকেউ নিরবে নিজেকে গুটিয়ে নেবে, খোঁজ নেয়ার সময় আছে কার?

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net