ঢাকা   ১১:২২:২৪ পিএম, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে স্মারক গ্রন্থ ‘স্বপ্ন সারথি’র মোড়ক উন্মোচন এবং বৃক্ষরোপণ মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীরের শপথ নিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমাদ বাচ্চু    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক কুমিল্লার গাংচরে বহুতল ভবনে ফাটলের পর হেলে পড়েছে, মালিকের দাবি ইঁদুরের কাণ্ড মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাগুরা-১ আসনের এম পি মনোয়ার খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত কুমিল্লায় শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন, থাকছে ফ্রি পার্ক রাইড উপভোগের সুযোগ

গাইবান্ধায় দফায় দফায় বন্যার পরিস্থতি অবনতি॥বাঁধে গাধাঁ গাঁধি ভাবে আশ্রিত : কেউ স্বাথ্য বিধি মানছেন না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৭২২ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

আনোয়ার হোসেন শামীম,
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধায় কয়েক দফায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আবারও মারাত্মক অবনতি হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। গাইবান্ধা পৌর এলাকার কিছু কিছু এলাকাসহ জেলা শহরের পার্শ্ববর্তী কুপতলা, খোলাহাটি, ঘাগোয়া, গিদারি, মালিবাড়ি ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলোতে বসতবাড়ি ও রাস্তা ঘাটে পানি উঠতে শুরু করেছে।
সেই সাথে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ি উপজেলায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছে এসব এলাকার মানুষ। অপর দিকে চর অঞ্চলের মানুষরা দীর্ঘ দিন থেকে বাঁধে অবস্থান করছেন। অনেকের ঘরে আর খাবার নেই। সরকারী বা বেসরকারীভাবে ভানবাসীদের মাঝে ত্রান বিতরণ করলেও তা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য। এসব লোক জন খাদ্যর জন্য হাঁ হাঁ কার করছে। খাদ্যর জন্য ঘুরছেন এদিক সেদিক । করোনার (কোভিড১৯) আক্রান্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য স্বাথ্য বিধি মেনে চলছে না। পরিষ্কার শব্দটি যেন বানভাসীদের কাছে অচেনা শব্দ ।
এছাড়া গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিস্কাশন সংকটসহ নানা সমস্যায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬টি উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়ন ও গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী। বন্যাকবলিত এলাকায় এ পর্যন্ত নগদ ৩০ লাখ টাকা ও ৫৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৯৮ সে.মি., ঘাঘট নদীর বিপদসীমার ৭৬ সে.মি. এবং করতোয়ার পানি বিপদসীমার ৪১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকাসহ ৬টি ইউনিয়নে পানি ওঠায় লোকজন বিপাকে পড়েছে। অনেক এলাকার রাস্তাঘাট, জমিগুলোর আঁখ, পাটসহ বিভিন্ন ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি