1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গাইবান্ধায় দফায় দফায় বন্যার পরিস্থতি অবনতি॥বাঁধে গাধাঁ গাঁধি ভাবে আশ্রিত : কেউ স্বাথ্য বিধি মানছেন না - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং পারিজাত এলিটের ত্রাণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন মাগুরায় জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের উদ্যোগে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ১০ শহীদের কবর জিয়ারত পরিবারের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী মোঃ মিজানুর রহমান মিলন গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল চাকুরী দেওয়ার কথা বলে অর্থহাতিয়ে নিয়ে, ভুক্তভোগী নামে মিথ্যা মামলা   এনসিপির জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হলেন চৌদ্দগ্রামের সুফিয়ান রায়হান মাগুরায় জুলাই গণ অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  খুটাখালীতে সবুজ পাহাড় নুরানী মাদরাসায় হিফজের সবক প্রদান অনুষ্ঠান ফাহিম সব্যসাচী’র অন্তরে অচিন পাখি’ বই নিয়ে কুমিল্লায় পাঠ প্রতিক্রিয়া  লাকসামে স্বামীর পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর আত্মহত্যা

গাইবান্ধায় দফায় দফায় বন্যার পরিস্থতি অবনতি॥বাঁধে গাধাঁ গাঁধি ভাবে আশ্রিত : কেউ স্বাথ্য বিধি মানছেন না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৬৫৫ বার

আনোয়ার হোসেন শামীম,
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধায় কয়েক দফায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আবারও মারাত্মক অবনতি হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। গাইবান্ধা পৌর এলাকার কিছু কিছু এলাকাসহ জেলা শহরের পার্শ্ববর্তী কুপতলা, খোলাহাটি, ঘাগোয়া, গিদারি, মালিবাড়ি ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলোতে বসতবাড়ি ও রাস্তা ঘাটে পানি উঠতে শুরু করেছে।
সেই সাথে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ি উপজেলায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছে এসব এলাকার মানুষ। অপর দিকে চর অঞ্চলের মানুষরা দীর্ঘ দিন থেকে বাঁধে অবস্থান করছেন। অনেকের ঘরে আর খাবার নেই। সরকারী বা বেসরকারীভাবে ভানবাসীদের মাঝে ত্রান বিতরণ করলেও তা চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য। এসব লোক জন খাদ্যর জন্য হাঁ হাঁ কার করছে। খাদ্যর জন্য ঘুরছেন এদিক সেদিক । করোনার (কোভিড১৯) আক্রান্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য স্বাথ্য বিধি মেনে চলছে না। পরিষ্কার শব্দটি যেন বানভাসীদের কাছে অচেনা শব্দ ।
এছাড়া গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিস্কাশন সংকটসহ নানা সমস্যায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬টি উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়ন ও গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী। বন্যাকবলিত এলাকায় এ পর্যন্ত নগদ ৩০ লাখ টাকা ও ৫৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৯৮ সে.মি., ঘাঘট নদীর বিপদসীমার ৭৬ সে.মি. এবং করতোয়ার পানি বিপদসীমার ৪১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকাসহ ৬টি ইউনিয়নে পানি ওঠায় লোকজন বিপাকে পড়েছে। অনেক এলাকার রাস্তাঘাট, জমিগুলোর আঁখ, পাটসহ বিভিন্ন ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net