1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নাঙ্গলকোটে বন্যায় ভেসে গেছে মাছ, পথে বসেছে মৎস্য চাষিরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে অধিকারের মানববন্ধনে বক্তারা: গুমের সংস্কৃতি থেকে এখনো বের হতে পারিনি রাষ্ট্র ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাব কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লার মায়ামী রেস্তোরাঁকে ৫০,  জাইতুন রেস্তোরাঁকে ২০ হাজর জরিমানা  মাগুরায় প্রকাশ্যে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার সাবেক ছাত্রদল নেতা নয়ন আনোয়ারায় বিএনপি নেতার অর্থায়নে বরুমচড়া হাজারী সড়ক সংস্কার, এলাকাবাসীর স্বস্তি  মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলা জাসাসের ৬৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা, তুহিন সভাপতি, সাইফুল  সাধারণ সম্পাদক  মাগুরায় খবরের কাগজ বিক্রি কমে যাওয়ায় হকারদের মানবেতর জীবনযাপন গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি নবীগঞ্জে ভাইয়ের হাতে বোন খুন  নবীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলের অফিস সহকারী ও দপ্তরীর মৃত্যু

নাঙ্গলকোটে বন্যায় ভেসে গেছে মাছ, পথে বসেছে মৎস্য চাষিরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩২৪ বার

শামীমুর রহমান, বিশেষ প্রতিবেদকঃ মাছ চাষে স্বাবলম্বী হতে গিয়ে এ বছর পথে বসেছেন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাজার হাজার মৎস্য চাষীরা । বন্যার পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মাত্র ১ -২ ঘণ্টায় ভেসে গেছে তাদের সব স্বপ্ন। এখন চরম দুর্দিন চলছে মাছ চাষিদের।

জানা গেছে, সংসারে আর্থিক অনটনের মাঝে ও মাছের প্রতি ছিল চাষিদের আলাদা ভালোবাসা। তাই নিজেরা না খেলেও প্রতিদিন মাছের খাওয়া নিশ্চিত করতেন। বন্যার পানিতে খামার ভেসে যাওয়ায় তাদের এখন দুর্দিনে বসবাস করছেন।

নাঙ্গলকোটে এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হেসাখাল ইউনিয়নের । সেখানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে মৎস্য খাতে এ বছর সর্বমোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৭৯ হাজার টাকা।

হেসাখাল ইউনিয়নের মহিন উদ্দিন প্রধান বিদেশ থেকে ছেলের পাঠানো টাকা জমিয়ে বাড়ির পার্শবর্তী পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। মাছের প্রতি তার ভালোবাসার শেষ নেই। সারাদিন পুকুর পাড়েই থাকেন। ১০ লাখ টাকা খরচ করে মাছ চাষে সংসারে আলো জ্বলাতে গিয়ে নিভে গেছে তার সেই স্বপ্ন। কয়েক লাখ টাকার নেট জাল দিয়ে ও রক্ষা করতে পারেন নি।

একই ইউনিয়নের হেসাখাল গ্রামের আবুল মিয়া জানায়, এ বছর বন্যায় তার মৎস্য প্রজেক্টে ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। বড় আকারের মাছ ছাড়াও ২ থেকে ৩ হাজার মণ পোনা মাছ ভেসে গেছে। এতে মূলধন হারিয়ে এখন নিঃস্ব জীবন কাটাচ্ছেন। আগামী ১০ বছরেও এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। কিন্তু এখনও মেলেনি সরকারি কোনো সহযোগিতা।

একই গ্রামের রহিম খান জানান, ৫ একর জমিতে মাছ চাষ করে সংসার ভালই চলছিল। কিন্তু এ বছর বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তাতে জমি বিক্রি করে সংসার চালাতে হবে। অন্য কোন পথ নেই। একই চিত্র ওই গ্রামের মজিবর রহমানেরও।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net