1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কিশোরগঞ্জে সরকারি ঘর বরাদ্দে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শহীদ ফরহাদ হোসেন স্মৃতি চাকসু আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হলো চবিতে পোড়া তেলে সাঙ্গু নদী দূষণের অভিযোগ, কৃষি ও মৎস্য আহরণে ক্ষতির আশঙ্কা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ, হাসপাতালে ফের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চন্দনাইশে মোবাইল কোর্টের অভিযানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনে বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বাড়ল বাস ভাড়া, আজ থেকেই কার্যকর মাগুরার শ্রীপুরে এক পক্ষের খুন, অন্য পক্ষের বাড়িতে তাণ্ডব! আসামির তালিকায় নাম না থাকলেও ভাঙচুর-লুটপাটের শিকার দুই পরিবার সরকারি কাজে আবেগ নয় বিবেক দিয়ে কাজ করতে হবে- মাগুরায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে সরকারি ঘর বরাদ্দে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০
  • ২৯৭ বার

তন্ময় আলমগীর, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অর্থায়নে নির্মিত আবাসন প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত উপকারভোগীদের বাদ দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা টাকার বিনিময়ে ঘরগুলো বরাদ্দ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক।

জানা যায়, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অর্থায়নে আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ইটনা উপজেলার রায়টুটি ইউনিয়নের ত্রিশটি বসতঘর নির্মাণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে এসব ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। জুন মাসে সুবিধাভোগীদের ঘরগুলো বুঝিয়ে দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এই প্রকল্পের আওতায় ১৫০টি পরিবারের জন্য ৩০টি বসতঘর, ৭টি টয়লেট ও ৩০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, আবাসন প্রকল্পে প্রতিটি ঘর বরাদ্দে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এমনকি কম টাকা প্রদানকারীদের পরবর্তীতে ঘর না দেওয়ারও প্রমাণ মিলেছে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রায়টুটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়সল কবীর মনোয়ার হোসেন মিল্কী। তিনি বলেন, আমি এই ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আমার বিরুদ্ধে কেউ কোনোদিন এমন অভিযোগ তুলতে পারেনি। এখন যে অভিযোগ উঠেছে সম্পূর্ণটাই প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র।

এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে অর্থ লেনদেনের সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net