https://www.dailyshamolbangla.com/
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রায় ৬০০ জন রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৬০ জনের বেশি রোগীর চোখে ছানি শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের উন্নত চিকিৎসা ও ছানি অপারেশনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাতকানিয়ার আমিলাইষ আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা মাঠে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং গ্রিন সিটি ও লিও ক্লাব অব চিটাগাং গ্রিন সিটির উদ্যোগে এবং আলহাজ শামসুজ্জামান ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহযোগিতায় এ চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত আয়োজিত ক্যাম্পে পাঁচটি বুথে পাঁচজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আগত রোগীদের চোখ পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা দেওয়া হয়। শনাক্ত হওয়া ছানিজনিত রোগীদের চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসা ও অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান এইচ এম হানিফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমিলাইষ আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি মাহফুজুর রহমান, আমিলাইষ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আমিলাইষ জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মোজাম্মেল হক, মাওলানা মোহাম্মদ খোরশেদ, ডা. মোহাম্মদ আয়ুব, শিক্ষক মোহাম্মদ মনসুর, সাইয়েদ হাসান, মোহাম্মদ ইসহাক, মোহাম্মদ আমিনুল হক, মোহাম্মদ বোরহান, ফাহিম, গুফরান, আবদুল আহাদ, তারেকসহ আমিলাইষ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
আলহাজ শামসুজ্জামান ফাউন্ডেশনের অর্থ সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের পরিচালক মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, “অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ ক্যাম্পে এলাকাবাসীর কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। ভবিষ্যতেও সবার সার্বিক সহযোগিতা পেলে এ ধরনের মানবিক আয়োজন অব্যাহত রাখব।”