1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
নাঙ্গলকোটে বন্যায় ভেসে গেছে মাছ, পথে বসেছে মৎস্য চাষিরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শহীদ ফরহাদ হোসেন স্মৃতি চাকসু আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হলো চবিতে পোড়া তেলে সাঙ্গু নদী দূষণের অভিযোগ, কৃষি ও মৎস্য আহরণে ক্ষতির আশঙ্কা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ, হাসপাতালে ফের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চন্দনাইশে মোবাইল কোর্টের অভিযানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদনে বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বাড়ল বাস ভাড়া, আজ থেকেই কার্যকর মাগুরার শ্রীপুরে এক পক্ষের খুন, অন্য পক্ষের বাড়িতে তাণ্ডব! আসামির তালিকায় নাম না থাকলেও ভাঙচুর-লুটপাটের শিকার দুই পরিবার সরকারি কাজে আবেগ নয় বিবেক দিয়ে কাজ করতে হবে- মাগুরায় পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনি নোটিশ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নাঙ্গলকোটে বন্যায় ভেসে গেছে মাছ, পথে বসেছে মৎস্য চাষিরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩৩০ বার

শামীমুর রহমান, বিশেষ প্রতিবেদকঃ মাছ চাষে স্বাবলম্বী হতে গিয়ে এ বছর পথে বসেছেন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাজার হাজার মৎস্য চাষীরা । বন্যার পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মাত্র ১ -২ ঘণ্টায় ভেসে গেছে তাদের সব স্বপ্ন। এখন চরম দুর্দিন চলছে মাছ চাষিদের।

জানা গেছে, সংসারে আর্থিক অনটনের মাঝে ও মাছের প্রতি ছিল চাষিদের আলাদা ভালোবাসা। তাই নিজেরা না খেলেও প্রতিদিন মাছের খাওয়া নিশ্চিত করতেন। বন্যার পানিতে খামার ভেসে যাওয়ায় তাদের এখন দুর্দিনে বসবাস করছেন।

নাঙ্গলকোটে এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হেসাখাল ইউনিয়নের । সেখানে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে মৎস্য খাতে এ বছর সর্বমোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি ৭৯ হাজার টাকা।

হেসাখাল ইউনিয়নের মহিন উদ্দিন প্রধান বিদেশ থেকে ছেলের পাঠানো টাকা জমিয়ে বাড়ির পার্শবর্তী পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। মাছের প্রতি তার ভালোবাসার শেষ নেই। সারাদিন পুকুর পাড়েই থাকেন। ১০ লাখ টাকা খরচ করে মাছ চাষে সংসারে আলো জ্বলাতে গিয়ে নিভে গেছে তার সেই স্বপ্ন। কয়েক লাখ টাকার নেট জাল দিয়ে ও রক্ষা করতে পারেন নি।

একই ইউনিয়নের হেসাখাল গ্রামের আবুল মিয়া জানায়, এ বছর বন্যায় তার মৎস্য প্রজেক্টে ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। বড় আকারের মাছ ছাড়াও ২ থেকে ৩ হাজার মণ পোনা মাছ ভেসে গেছে। এতে মূলধন হারিয়ে এখন নিঃস্ব জীবন কাটাচ্ছেন। আগামী ১০ বছরেও এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। কিন্তু এখনও মেলেনি সরকারি কোনো সহযোগিতা।

একই গ্রামের রহিম খান জানান, ৫ একর জমিতে মাছ চাষ করে সংসার ভালই চলছিল। কিন্তু এ বছর বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তাতে জমি বিক্রি করে সংসার চালাতে হবে। অন্য কোন পথ নেই। একই চিত্র ওই গ্রামের মজিবর রহমানেরও।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net