1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
চট্টগ্রাম আনোয়ারায় বাপ দাদার মীমাংসিত জায়গায় সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানী অভিযোগ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন! পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর রহমান জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে বেড়েছে সবজির দাম সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীর হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান মাসউদ  নোয়াখালীর চৌমুুহনীতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিলি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় মাগুরার শ্রীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার!স্বামী আটক, পরিবারের দাবি হত্যার! অপ্রতীম হত্যার পর  কুমিল্লার ১৮ থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী একযোগে অভিযান, আটক ৬২৪ মাগুরার শ্রীপুরে আনসার ও ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ অনুষ্ঠিত দেশের উন্নতির লক্ষ্যে বেশী বেশী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে- মাগুরায় ব্যবসা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালায় শহীদুল ইসলাম

চট্টগ্রাম আনোয়ারায় বাপ দাদার মীমাংসিত জায়গায় সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানী অভিযোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৭৩৮ বার

নিজস্ব সংবাদদাতা : চট্টগ্রামে আনোয়ারা উপজেলা ১নং বৈরাগ ইউনিয়নে বৈরাগ গ্রামে বাপ দাদার মীমাংসিত জায়গায় সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানী করার অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী জাতীয় পত্রিকা গণকন্ঠের চট্টগ্রামের ষ্টার্ফ রিপোর্টার ও মানবধিকার কর্মী এস এম সালাহউদ্দীন। তিনি বলেন,আমার দাদারা নাজিরআলী গংরা তিন ভাই তাদের নামে আর এস খতিয়ান সৃজন আছে। পরবর্তীতে তাদের সন্তান মতিউর রহমান গংরা ৪ভাই মিলে যৌথ অর্থায়নের টাকা দিয়ে বড় ভাইকে সম্মান দিয়ে তাহার নামে জায়গা ক্রয় করেন। জায়গাগুলো সমান ৪ভাগে ভাইদের দখল দেন মতিউর রহমান। পরবর্তীতে তিনি জায়গাগুলো ভাইদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্ত হলে তাহার বড় ছেলে কামালউদ্দিনকে জায়গাগুলো দিয়ে দেওয়ার অচিয়ত করে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে জায়গাগুলো নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে মতিউর রহমানের বড় ছেলে কামালউদ্দিন বিরোধ মিটানোর চেষ্টা করেন এবং তাহার পিতার অচিয়ত অনুযায়ী ২০০৩ সালে একটি সালিশী বৈঠকের মাধামে বিষটি নিষ্পত্তি করতে বিজ্ঞ সালিশকার নিয়োগ করেন। সালিশকারগন সরেজমিন তদন্ত করে এবং এলাকার প্রবীন ব্যক্তিদের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে একটি সালিশী রোয়েদাদ প্রচার করেন। তখন রহিম উদ্দিন গং তারা আবারো অন্যায়ভাবে সালিশী রোযেদাদের বিরুদ্ধে মাননীয় ১ম শ্রেণীর হাকিমের আদালত সদর কোর্টে ২৮/২০০৩ নাম্বার মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিজ্ঞ আদালত পর্যালোচনা করে নথিজাত ভুক্ত করার জন্য আদেশ প্রদান করেন।

পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আবারো রহিম উদ্দিন গং পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ১৫৮/০৮ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে। ইতিমধ্যে রহিমউদ্দিন গংরা তাদের দখলে থাকা জায়গাগুলোতে বিল্ডিং ও ঘর নিমার্ণ করেন। এমতাবস্থায় সাংবাদিক পরিবারটি তাদের দখলে থাকা জায়গায় নিমার্ণ কাজ শুরু করলে রহিম উদ্দিন তাহার ছেলে মোহাম্মদ লোকমান ও কিশোর গ্যাং এর সদস্য ইকরামকে নিয়ে সাংবাদিক পরিবারের দখলীয় জায়গার গাছ বাশঁ অন্যায়ভাবে কেটে ফেলে ও পরিবারের সদস্যকে প্রাণনাশের হুমকী দেন।

এমতাবস্থায় সাংবাদিক এস এম সালাহউদ্দীন ১৩ই আগস্ট বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় রহিমউদ্দিনকে বিবাদী করে আনোয়ারা থানায় একটি অভিযোগ করলে আনোয়ারা থানা অফিসার ইনচার্জ সাথে সাথে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে উভয় জনের দখলীয় সম্পত্তিতে কাজ বন্ধ করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতে নির্দেশ মানার জন্য বলেন। পরের দিন ১৪ই আগষ্ট (শুক্রবার) রহিমউদ্দিন আগের মিমাংসিত জায়গার দাগ দিয়ে মিথ্যা পাল্টা অভিযোগ করে সাংবাদিক পরিবারকে হয়রানী করার অভিযোগ দেন। এবং এলাকার মানুষের সামনে রহিমউদ্দিনের ছেলে লোকমান ও ইকরাম সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদেরকে প্রাণনাশের হুমকী দেন। এব্যাপারে জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ কায়সার বলেন, আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে একমাত্র আদালতেই আদেশ দিতে পারবে। এবিষয়ে কোন সালিশকার বা কোন ব্যক্তি বিশেষ জোর করে বৈঠকে বসার আদেশ বা নির্দেশ দিতে পারে না। আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটার পরিবেশ সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আদালতে বিচারাধীন জায়গায় কোন পক্ষ জোর দেখিয়ে কাজ করলে আইনলঙ্ঘন হবে এবং সেটার জন্যও আইনি ব্যবস্থা রযেছে। এব্যাপারে আনোয়ারা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুলাল মাহমুদ বলেন, সাংবাদিক এস এম সালাহউদ্দীনের অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে বাদী বিবাদী উভয় জনকে বিরোধ সম্পত্তিতে কাজ না করার জন্য বলা হয়েছে। যেহেতু বিরোধকৃত সম্পত্তিগুলো বিচারাধীন সুতারাং বিচারের রায় পর্যন্ত তাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি প্রাণনাশের হুমকীদেন তাহলে এবিষয়ে অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net