1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
টানা বৃষ্টি চলছে লালমনিরহাটে থামছেই না তিস্তা নদীর ভাঙ্গন : তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বিএনপির জন্য ১৭ বছর রাজপথে, এখন দিনমজুর জজ মিয়ার চাওয়া শুধু একটি ঘর সাতকানিয়ায় শাহজাহান চৌধুরীর উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড মাগুরায় পরিবেশ ও প্রকৃতির দক্ষতা বৃদ্ধি শীর্ষক দুই দিনব্যাপী  কর্মশালা সম্পন্ন  আর্জেন্টাইন ক্লাবের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল রোনালদোর আল নাসর তেলের দামে উত্তাপ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা নবীগঞ্জে ছোট বোন হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহীন সিলেট থেকে গ্রেফতার নোয়াখালীর হাতিয়ায় তমরদ্দি ইউনিয়নে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে আবারও অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী মাগুরায় ছাত্রদলের পরিছন্নতা কর্মসুচির উদ্বোধন দেওয়ানেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরে ২০ ভরি স্বর্ণের হিসাব নেই গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে কমিটি গঠনের অভিযোগ

টানা বৃষ্টি চলছে লালমনিরহাটে থামছেই না তিস্তা নদীর ভাঙ্গন : তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল

লাভলু শেখ স্টাফ, রিপোটার লালমনিরহাট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৬৫ বার

টানা বৃষ্টি চলছে।তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে। তবুও লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর বাম তীরে তীব্র হচ্ছে ভাঙ্গন। লালমনিরহাট জেলার অন্যান্য নিচু অঞ্চলগুলো তলিয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে অামন ক্ষেতে।

এবার পবিত্র ঈদ উল আযহার ৮দিন অাগে থেকে নদী ভাঙ্গন শুরু। সেই শুরু থেকে প্রতিদিন ভাংছে সর্বনাসী তিস্তা নদী। নদী প্রস্থে চলে যাচ্ছে মাথা গোজার ঠাই, সহায় সম্বল।

সরেজমিনে দেখা গেছে,
গত দুদিনের বিরতীতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে অাবার ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।এতে জেলার নিচু অঞ্চলগুলো তলিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতির মুখে পড়ছে আমনের ক্ষেতসহ চলতি মৌসুমের ফসলের। স্থানীয় কৃষকরা অামনের ক্ষতির অাশংকা করছেন।

ইসমাইল হোসেন নামের একজন কৃষক জানান, ‘পোকাও মরছে, ধানও মরছে’। এবার তিনি তার আমন ক্ষেতে ৪/৫বার করে কীটনাশক ছিটিয়েছেন। এখন যদি অামনের ক্ষেত পানির নিচে থাকে তাহলে তার ক্ষেত থেকে ধান তোলা সম্ভব হবেনা।

তিস্তার ভাঙ্গনে সব থেকে ক্ষতির মুখে অাদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের চন্ডিমাড়ী, গোবর্ধন, রজবটারিতে কিছুতেই নদী ভাঙ্গন থামছেনা। লালমনিরহাট সদরের গোকুন্ডা এবং খুনিয়াগাছ। যদিও এসব এলাকায় জিও ব্যাগ বা বালির বস্তা ফেলে ভাঙ্গন বন্ধ করার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। যে স্থানে ভাঙ্গন, সে স্থানেই শ্যালো চালিত ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, তিস্তার ভাঙ্গন থামানোর জন্য ৫শত ৪০কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net