1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সচেতনতার বিকল্প নেই - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন মাগুরায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ ইটভাটাকে ১৫লাখ টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে কাজীর ওপর হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জামায়াতের মাগুরায় মাদক বিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেফতার -২ ৪ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি প্রাইভেট কার ১টি মোটরসাইকেল ও ৬ লক্ষ টাকা উদ্ধার! মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের খুলনা বিভাগীয় লং মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চাল বিতরণ, বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা সাতকানিয়া আমিলাইষে দুর্গোৎসবে ১০০ পরিবারকে বস্ত্র উপহার দিলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান  কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার অনাবাসিক শাখার উদ্বোধন গত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে” মাগুরায় এমপি মনোয়ার হোসেন খান মাগুরায়  ৭৫ জন অসহায়কে আর্থিক সহায়তা ও নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত 

সচেতনতার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয় | মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার |

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৩৪ বার

দেশে চলছে করোনা মহামারি। মৃত্যুর ঘটনা ঘটেই চলেছে। এরইমধ্যে অপঘাতেও প্রাণহানি হচ্ছে। বিশেষ করে পানিতে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেই চলেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন এটাকে ‘নিয়তি’ বলে বসে থাকলে চলবে না। বরং মৃত্যুর কার্যকারণগুলো ব্যাখ্যা করে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে সাঁতার শেখার ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এ ব্যাপারে সচেতনতাও বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। নইলে বাড়তে থাকবে মৃত্যুর সংখ্যাও।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় পানিতে ডুবে সিফাত (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সেন্দ-শিলাউর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সিফাত ওই গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে। বিকেলে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের কাছে খেলা করছিল সিফাত। এ সময় সবার অগোচরে পুকুরে পড়ে যায় সে। অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর মুমূর্ষু অবস্থায় পুকুর থেকে সিফাতকে উদ্ধার করে করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ধরনের শোকাবহ পরিস্থিতি কিছুতেই কাম্য নয়। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়, যা মোট শিশুমৃত্যুর ৪৩ শতাংশ। আর প্রতিদিন গড়ে ৪০টি শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। বলতে গেলে শিশুর অন্যতম ঘাতক এই পানিতে ডুবে মৃত্যু। এই মৃত্যু রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে পরিবারকে। শিশুরা জলাধারের কাছে যাতে যেতে না পারে সে ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে বাড়াতে হবে সামাজিক সচেতনতা। গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে যে সমস্ত শিশুরা সাঁতার শেখার উপযোগী হয়েছে তাদেরকে অবশ্যই সাঁতার শেখাতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে স্থানীয় প্রশাসন, এনজিওসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে। সাঁতার না জানার কারণেই অধিকাংশ শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। শুধু শিশুরাই নয় প্রাপ্তবয়স্কদেরও পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। আমাদের দেশে সাঁতার শেখা বা শেখানোকে একটি অপ্রয়োজনীয় কাজ হিসেবে এখনো মনে করা হয়। এ ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিশুরাই আগামী, তাদের রক্ষায় আরো যত্নশীল ও দায়িত্ববান হতে হবে।

লেখকঃ নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক আপন আলো | বিশেষ প্রতিবেদক শ্যামল বাংলা ডট নেট | সাবেক কাউন্সিলর: বিএফইউজে-বাংলাদেশ |

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net