1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দুই দফায় ২৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা যৌতুক দিয়েও নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

দুই দফায় ২৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা যৌতুক দিয়েও নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ

মো.বশির উদ্দিন/ডেমরা প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩১৮ বার

রাজধানীর ডেমরায় তৃতীয় দফায় যৌতুকের দাবিতে মোছা. ছালেহা আক্তার (৩৬) নামে এক গৃহবধূ তার স্বামী, দেবর ও শ্বাশুরীর পাসবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ শনিবার দিনগত রাতে ডেমরা থানায় ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন-ছালেহা অক্তারের স্বামী মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানার দাসেরহাটি গ্রামের মৃত আনসার আলীর ছেলে মো. বজলুর রশিদ (৪৮), তার মা হাজেরা বেগম (৬২) ও তার ভাই মজনু (৪২)। বজলুর রশিদ তার স্ত্রী ও ৩ সন্তানসহ ডেমারার পূর্ব বক্সনগর ময়নান বাড়ীতে ভাড়া থাকেন। তবে আসামিরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে ডেমরা থানার অপারেশন অফিসার (ইন্সপেক্টর) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন,পারিবারিকভাবে গত ২০০৪ সালে সালেহার সঙ্গে বিয়ে হয় বজলুর রশিদের। বিয়ের কিছুদিন পরে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য ছালেহার পিত্রালয় থেকে বজলুরকে ৭ লক্ষ টাকা যৌতুক হিসেবে দেয়া হয়। এদিকে গত বছর বিদেশ থেকে চলে আসলে বজলুর ব্যবসার জন্য তার শ্বশুরের পেনসন ও বসতভিটার বন্ধকের মোট ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আবারও যৌতুক হিসেবে নিয়ে আসে। আর এ টাকা দিয়ে গত ১ অক্টোবর ডেমরার একাট মার্কেটে দোকান দিয়ে ব্যবসা চালু করেন তিনি।

নূরে আলম সিদ্দিকী আরও বলেন, গত ৫ নভেম্বর গ্রাম থেকে ছালেহার শাশুরী ও দেবর তাদের বাড়ীতে বেড়াতে আসেন। গত ১০ নভেম্বর রাতে আসামিরা ব্যবসার পুঁজি বাড়াতে ছালেহার পিত্রালয় থেকে আরও ১০ লক্ষ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। এ প্রস্তাব অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১১ নভেম্বর দিনগত রাতে আসামিরা ছালেহাকে এলোপাথারী মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে বজলুর রশিদ ড্রেসিং টেবিলের গ্লাস ভেঙ্গে ছালেহার গলায়, হাতে ও পিঠে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তার বড় মেয়ে অয়েশাকেও মারধর করে যৌতুক লোভীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net