1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরার শালিখা আর.কে ডোর কারখানায় হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন মাগুরায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ ইটভাটাকে ১৫লাখ টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে কাজীর ওপর হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জামায়াতের মাগুরায় মাদক বিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেফতার -২ ৪ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি প্রাইভেট কার ১টি মোটরসাইকেল ও ৬ লক্ষ টাকা উদ্ধার! মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের খুলনা বিভাগীয় লং মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চাল বিতরণ, বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা সাতকানিয়া আমিলাইষে দুর্গোৎসবে ১০০ পরিবারকে বস্ত্র উপহার দিলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান  কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার অনাবাসিক শাখার উদ্বোধন গত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে” মাগুরায় এমপি মনোয়ার হোসেন খান মাগুরায়  ৭৫ জন অসহায়কে আর্থিক সহায়তা ও নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত 

মাগুরার শালিখা আর.কে ডোর কারখানায় হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট

মোঃ সাইফুল্লাহ ;

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৯৩ বার

মাগুরার শালিখা উপজেলায় আড়ুয়াকান্দি এলাকায় ৩ ডিসেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার সকালে আর.কে ডোর কারখানায় হামলা চালিয়েছে এলাকাবাসী। এ সময় কারখানার অফিস কক্ষ ভাংচুর, ল্যাবটপসহ অফিসে থাকা নগদ ৮-১০ লক্ষ টাকা লুট হয়েছে বলে দাবি করছে কারখানা কতৃপক্ষ। এ ঘটনায় পুলিশ শালিখা উপজেলার হরিশপুর গ্রামের ৯ জনকে আটক করেছে।
আরকে ডোর কারখানার সত্ত্বাধিকারী জুয়েল হোসেন জানান, বুধবার বিকালে আমার কারখানার একটি মাল বোঝাই ট্রাক সীমাখালী বাজার দিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে হরিশপুর গ্রামের রেজাউল নামের এক ব্যক্তির সাথে ট্রাকের ড্রাইভারের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় রেজাউল আমার ট্রাকের ড্রাইভারের উপর হামলা চালিয়ে আহত করে। এই ঘটনার সূত্র ধরে হরিশপুর গ্রামের জসিম মেম্বার, আঃ আজিজ, তরিকুল, হুমায়ন, করিব ও আলমগীরের নেতৃত্বে প্রায় ২ শতাধিক লোক বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় আমার চালু কারখানায় হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার কারখানার জানালা, দরজার গ্লাস ভাংচুর করে। পরে অফিসে কক্ষে প্রবেশ করে চেয়ার, টেবিল ভাংচুরসহ অফিসে থাকা একটি ল্যাবটপ ও নগদ ৮-১০ লক্ষ টাকা লুট করে। অফিস লুটের পর তারা কারখানায় ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। হামলার সময় কারখানার কর্মরত শ্রমিকরা নিরাপত্তার জন্য চিৎকার করে পাশ্ববর্তী বিভিন্ন স্থানে ছুটে যায়।

তিনি আরো জানান, হামলাকারীদের মুল উদ্দেশ্য ছিল আমার কারখানাটি হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা। হামলার পরপরই আমি পুলিশকে অবগত করি। আমার কারখানায় বর্তমানে এলাকার প্রায় ২ শত নারী-পুরুষ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। হামলার পর কারখানা আংশিক চালু রয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য আমি জেলা পুলিশ সুপারের নিকট সহযোগিতা চেয়েছি।
জেলা পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান জানান, আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতিমধ্যে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকী যারা ঘটনার সাথে জড়িত তাদের আটকের জন্য পুলিশের জোর চেষ্টা চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার আইনে মামলা হবে। আমরা কারখানাটি বন্ধ না করে চালু রাখতে বলেছি। কারণ এ কারখানায় অনেক দরিদ্র শ্রমিক কাজ করে। এলাকায় উত্তেজনা এড়াতে কারখানায় পুলিশ পাহারায় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net