1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে দালালের রাজত্ব,হয়রানি শিকার রেমিট্যান্ট যোদ্ধা! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‎কুমিল্লায়  পেশী শক্তি  ও অনাচারে জড়িত থাকায় ‎দুই যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার স্বাক্ষর অমিল : চবির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থী বরখাস্ত ইতালিতে হামলার পর দেশে ফিরলেন বাঁধন, বললেন ‘বর্বরতা বন্ধ হতে হবে’ এমবাপ্পে সেরা, কিন্তু ব্যালন ডি’অর আমার প্রাপ্য: ইয়ামাল ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের রায় মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্যাটরিনার বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন রণবীর, তারপর যা ঘটে বিশ্বনেতাদের আপ্যায়নে ভারতের নিরামিষ ভোজ তেলের বাজারে বড় উত্থান একলাফে ১০৭ ডলার শেরপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে দালালের রাজত্ব,হয়রানি শিকার রেমিট্যান্ট যোদ্ধা!

এম আর আমিন,চট্টগ্রামঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১
  • ৩৫৭ বার

সরকার-নির্ধারিত ফি জমা দিয়েও ঠিক সময়ে মিলছে না সাধারণ বা ইমারজেন্সি পাসপোর্ট। চট্টগ্রামের বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসে পাসপোর্ট করাতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন রেমিট্যান্ট যোদ্ধারা। আইন মেনে কাজ করতে গিয়ে সেবা না মিললেও দালালদের শরণাপন্ন হলে ঠিক সময়ে ঠিকই মিলছে সেবা।

বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে আসা একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, দালালদের শরণাপন্ন না হয়ে সরকারি নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে পাসপোর্টের কাগজপত্র জমা দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অফিসে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাগজপত্রে ছোটখাটো ভুলভ্রান্তি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে।

পাসপোর্ট অফিসে দালালদের সংঘবদ্ধ একটি চক্র রয়েছে। ওই দালালদের দিয়ে করলে সবকিছু ঠিকঠাকমতো হয়ে যায়। এমনকি পুলিশ ভেরিফিকেশনেও আসে না। সাধারণ মানুষ পাসপোর্ট অফিসে আসলে দালাল ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে পদে পদে হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হতে হয় ।

সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের একটি ভাগ পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে চলে যায়। শুধু তাই নয়, অভিযোগ রয়েছে— চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা মাসের পর মাস ঘুরে দালালদের শরণাপন্ন না হয়ে কাগজপত্র জমা দিতে পারলেও দ্রুত পাসপোর্ট ডেলিভারি পেতে প্রত্যেক সেবাগ্রহীতাকে ২ হাজার ১ শ’ টাকা দিয়ে টোকেন নিতে হয়। টোকেন না নিলে পুলিশ ভেরিফিকেশন জটিলতায় আটকে যাচ্ছে পাসপোর্ট।

ভুক্তভোগিদের অভিযোগ বলেন, পাসপোর্ট অফিসে দালাল ছাড়া ভোগান্তির শেষ নেই। দালাল ছাড়া করলে সব সমস্যা বের হয়ে আসে। আসলে এসব দেখার কেউ নেই।’
ইমারজেন্সি ফি দিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ করতে দিয়েছিলাম। নির্ধারিত সময়ের পর পাসপোর্ট আনতে গেলে ঢাকা অফিস থেকে আসে নাই বলে।

এবিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক মো.আবু সাইদের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করার পর রিসিভ করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net