ঢাকা   ০৫:১৬:০০ এএম, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট পোশাক শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা মাগুরায় মধুমতী নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত  কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার আগাম বার্তা পাবেন কৃষকরা উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ  ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আমজাদ এন্টারপ্রাইজের কেমিক্যালের ড্রাম ব্যবসা, দূষণের ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নদী, আতঙ্কে নোমান কলেজ রোডের বাসিন্দারা মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত টঙ্গীর রাজনগরে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, মাফিজুরের গ্রেপ্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

মোংলা বন্দরে ভূয়া ঠিকানায় চাকরি, তদন্তে দুদক

খ.ম. নাজাকাত হোসেন সবুজ। বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৩০ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

প্রতারণার মাধ্যমে ভূয়া ঠিকানা ও কাগজপত্র ব্যবহার করে বাগেরহাট জেলার, মোংলা বন্দরে চাকরি নিয়ে দুদকের তদন্ত জালে আটকা পড়েছেন লাইট কিপার পদবীর মো. শাহীন। শাহীনের পৈত্রিক নিবাস গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বোয়াল গ্রামে। মোংলা বন্দরে চাকুরির ঘোষণা অনুযায়ী ওই জেলায় কোঠা না থাকায় প্রতারণা আশ্রয় নিয়ে তিনি চাকরি নিয়েছেন রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্ধি চর দক্ষিণবাড়ীর ঠিকানা দিয়ে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের (সিবিএ) ২০১৩ সালের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান শাকিব মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে এ চাকরি পাইয়ে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে মতিয়ার রহমান শাকিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিউজটি না করতে অনুরোধ করেন।

বিগত ২০১৩ সালে মোংলা বন্দরের হারবার বিভাগের লাইট কিপারসহ অন্যান্য পদে লোক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে লাইট কিপার পদে চাকুরির জন্য আবেদন করেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির বোয়াল গ্রামের মো. মোকলেছুর রহমানের ছেলে মোঃ শাহীন। তার জেলায় কোঠা না থাকায় প্রতারণার মাধ্যমে সে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তন ও বয়স কমিয়ে রাজবাড়ী জেলার ঠিকানায় চাকুরির আবেদন করে চাকুরিতে ঢোকেন। তবে জাল জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে চাকুরি নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. শাহীন বলেন, বিষয়টি সত্য নয় বলে দাবী করেন।

এদিকে বন্দর এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে তার প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে। এনিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনার কার্যালয়ে অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে দুদকের খুলনার সহকারী পরিচালক ফয়সাল কাদের বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন) কমান্ডার ফখর উদ্দিন বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি মাত্র, খোঁজ খবর নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি