ঢাকা   ০৮:১০:১৩ এএম, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী মনোহরগঞ্জে টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ,অবরুদ্ধ চার পরিবার! সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ মাগুরায় শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতি ঘটনায় ১১জন গ্রেপ্তার, প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার কুমিল্লায় নিখোঁজ ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ মিলল পুকুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রীর মাগুরায় শাকের হত্যা এবং স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদ গ্রেফতার যুব উন্নয়ন থেকে সফল আত্মকর্মী’র সম্মাননা পেলেন সুবর্ণা চৌধুরী মিরপুরে সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক আশুলিয়ায় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা, আহত ৫০ পুলিশ সদস্য আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস

দুইহাজার আটাশ সালের আগে হচ্ছে না কালুরঘাটের নতুন সেতু

এম আর আমিন, চট্টগ্রাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ মে, ২০২১
  • ৩১২ বার
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

দোহাজারী থেকে রেলপথ সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজও চলছে। প্রকল্পের প্রায় ৫৭ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজ আগামি বছরের জুন মাসের মধ্যে শেষ হবে। ২০২২ সালের মধ্যে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের ঘুনধুম পর্যন্ত ডুয়েল গেজ ট্রেন চালুর ঘোষণা মন্ত্রণালয়ের।

এরপর দ্রুতগতির ডুয়েল গেজ ট্রেন চালু হবে। এমন কথাই বললেন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-ঘুনধুম প্রকল্পের পরিচালক মফিজুর রহমান। কিন্তু তাঁর এসব কথা যেন দিবা স্বপ্ন। কারণ এই রেললাইনে কাটা হয়ে রয়েছে কর্ণফুলী নদীর উপর শত বছরের ঝুঁকিপূর্ণ কালুরঘাট সেতু। যার উপর দিয়ে দ্রুতগতির ডুয়েল গেজ ট্রেন চলাচল কোনোমতেই সম্ভব নই।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সেতু বিভাগের প্রকৌশলীদের মতে, অন্তত ২০২৮ সালের আগে কর্ণফুলীর উপর হচ্ছে না নতুন সেতু। ফলে ২০২২ সালে কিভাবে ডুয়েল গেজ ট্রেন চালু হবে তা বোধগম্য নয়। মূলত এই সেতুর কারণেই আটকে থাকবে দ্রুতগতির ডুয়েল গেজ ট্রেন চালুর স্বপ্ন।

এই প্রকল্পে জন্য এখন কাটা হয়ে রয়েছে কর্ণফুলী নদীর কালুরঘাট সেতু। ১৯৩১ সালে নির্মিত এই সেতু চার দশক আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে রেলওয়ে। বছরের পর বছর সেতুটি মেরামতে রেলবিভাগ শত শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেয়নি।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্তি প্রকৌশলী মো. আহসান জাবীর বলেন, কালুরঘাট সেতুর নতুন করে ফিজিবিলিটি স্টাডির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেতুটি সিঙ্গেল ট্র্যাক রেল-কাম সড়ক সেতু হবে নাকি, ডাবল ট্র্যাক রেল-কাম সেতু হবে তা সমীক্ষার ওপরই নির্ভর করছে। ৬ মাসের মধ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করতে হবে। ফিজিবিলিটি স্টাডি করবে সেতুর অর্থদাতা প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংক। যেহেতু সেতুর উচ্চতা বেড়েছে, সুতরাং আগের ডিজাইন আর কাজে লাগবে না। নতুন ডিজাইনে সেতুর ব্যয় কত হবে তা নতুন সমীক্ষার পর নির্ধারণ হবে। নতুন সমীক্ষার পর নতুনভাবে হবে সেতুর ডিজাইন, বাজেট, প্রকল্পের মেয়াদসহ সবকিছু। সড়কের সঙ্গে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলসেতু নির্মাণ প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাজনক কিনা তাও সমীক্ষার পরই জানা যাবে। এসব করতে কমপক্ষে তিন বছর সময় লেগে যাবে। এরপর প্রকল্প অনুমোদনে ৬ থেকে ৯ মাস পর্যন্ত সময় লাগে।

এরপর সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হলে তিন থেকে চারবছর সময় লাগতে পারে। সে হিসেবে ২০২৮ সালের আগে এই সেতু আলোর মুখ দেখছে না। এই সেতু না হলে ডুয়েল গেজ ট্রেনও চালু সম্ভব হবে না।

পূরণো কালুরঘাটের এই সেতু এখন ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুর উভয় পাশের ডেক ও লোহার বেড়া প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি