1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, কিন্তু শয্যা নিচ্ছে চলছে দুর্নীতি। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীনগরে মাদ্রাসায় শিক্ষককে অব্যাহতির ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি: প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ নোয়াখালীর বসুরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতে ইসলামীর লিফলেট বিতরণ রামগড় ৪৩ বিজিবির জব্দকৃত প্রায় ৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ভিক্টোরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের বাস উপহার কিশোরগঞ্জে সংবাদপত্র হকারদের পাশে জেলা প্রশাসক, উচ্ছ্বসিত হকাররা মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ

করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, কিন্তু শয্যা নিচ্ছে চলছে দুর্নীতি।

চট্টগ্রামঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৬৫ বার

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহতায় রূপ নিচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও সংক্রমণ।

এরই মধ্যে সব হাসপাতালের শয্যা পরিপূর্ণ করোনা আক্রান্ত রোগীতে। খালি নেই আইসিইউও।

করোনা নিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন তথ্য দেয় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়। কিন্তু হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি রয়েছে বাস্তবে।

বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে অনেক শয্যা খালি থাকার কথা বলা হলেও বাস্তবতা ভিন্ন।

জানা যায়, চট্টগ্রামে সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি ২৩টি হাসপাতালে দেওয়া হচ্ছে করোনার চিকিৎসা।

সরকারি হিসেবে এসব হাসপাতালে শয্যা রয়েছে ২ হাজার ৭২৮টি। এত শয্যা থাকলেও সবগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে না করোনা রোগীদের চিকিৎসায়। বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়েই প্রতিদিন গতানুগতিক তথ্য দিয়ে যাচ্ছে সিভিল সার্জন কার্যালয়।

গোপন তথ্যে মাধ্যমে জানা যায় , করোনা চিকিৎসায় পার্কভিউ হাসপাতালে শয্যা বরাদ্দ রয়েছে ৯০টি। কিন্তু এ হাসপাতালে সরকারি হিসেবে শয্যা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে ১০০টি।
সিএসসিআর হাসপাতালে বরাদ্দ রয়েছে ২৮ শয্যা। কিন্তু সরকারি হিসেবে রয়েছে ৯২ শয্যা। শুধু তা-ই নয় ইউএসটিসি’র বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে সাধারণ শয্যা রয়েছে ৩৫০টি। এর মধ্যে করোনা রোগীর জন্য ৫৮টি শয্যা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু সরকারি হিসেব অনুযায়ী ৩৫০ শয্যায় করোনা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে।

আবার মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য ৫০টি শয্যা থাকলেও দেখানো হচ্ছে ১২০টি। ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৪৫ শয্যায় ভর্তি করা হয় করোনা রোগী। কিন্তু এই হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৮৫টি।

হিসেবের এই গরমিলের কারণে করোনা আক্রান্ত রোগীকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে স্বজনদের।

সরকারি হিসেবে হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ১০০ শয্যার। কিন্তু এ হাসপাতালে ৪-৫ জন রোগী ভর্তি থাকে। আইসিইউ’র কথা বলা হলেও কোনোটিই সচল নয়। কিন্তু এ হাসপাতালের নামে সরকার বরাদ্দ দিচ্ছে।

তবে সরকারি হিসেবে উল্লেখিত বেসরকারি হাসপাতালের ২ হাজার ৭২৮টি শয্যার সবগুলো করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য বরাদ্দ দেওয়ার তথ্যে গরমিল প্রশ্নে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, তালিকায় যে শয্যা সংখ্যার তথ্য দেওয়া হয়েছে তা করোনা রোগীর জন্য বরাদ্দ বলতে গেলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এখন করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net