1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, কিন্তু শয্যা নিচ্ছে চলছে দুর্নীতি। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে ২টি সার ও কীটনাশকের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি নোয়াখালীতে গোলাগুলির ঘটনা: মিথ্যা অভিযোগে প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ; তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১, আহত-২ চন্দনাইশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল চন্দনাইশে বিমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু ‘দৌড়ান সুস্থতার জন্য, এগিয়ে চলুন বিজয়ের পথে’—স্লোগানে রামগড়ে ম্যারাথনে অংশ নিলেন তিন শতাধিক দৌড়বিদ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের গরম থেকে বাঁচতে মসজিদের ছাদে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু! রুপনগর প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যু প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু

করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, কিন্তু শয্যা নিচ্ছে চলছে দুর্নীতি।

চট্টগ্রামঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪৫ বার

মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহতায় রূপ নিচ্ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও সংক্রমণ।

এরই মধ্যে সব হাসপাতালের শয্যা পরিপূর্ণ করোনা আক্রান্ত রোগীতে। খালি নেই আইসিইউও।

করোনা নিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন তথ্য দেয় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়। কিন্তু হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি রয়েছে বাস্তবে।

বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে অনেক শয্যা খালি থাকার কথা বলা হলেও বাস্তবতা ভিন্ন।

জানা যায়, চট্টগ্রামে সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি ২৩টি হাসপাতালে দেওয়া হচ্ছে করোনার চিকিৎসা।

সরকারি হিসেবে এসব হাসপাতালে শয্যা রয়েছে ২ হাজার ৭২৮টি। এত শয্যা থাকলেও সবগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে না করোনা রোগীদের চিকিৎসায়। বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়েই প্রতিদিন গতানুগতিক তথ্য দিয়ে যাচ্ছে সিভিল সার্জন কার্যালয়।

গোপন তথ্যে মাধ্যমে জানা যায় , করোনা চিকিৎসায় পার্কভিউ হাসপাতালে শয্যা বরাদ্দ রয়েছে ৯০টি। কিন্তু এ হাসপাতালে সরকারি হিসেবে শয্যা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে ১০০টি।
সিএসসিআর হাসপাতালে বরাদ্দ রয়েছে ২৮ শয্যা। কিন্তু সরকারি হিসেবে রয়েছে ৯২ শয্যা। শুধু তা-ই নয় ইউএসটিসি’র বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে সাধারণ শয্যা রয়েছে ৩৫০টি। এর মধ্যে করোনা রোগীর জন্য ৫৮টি শয্যা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু সরকারি হিসেব অনুযায়ী ৩৫০ শয্যায় করোনা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে।

আবার মেট্রোপলিটন হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য ৫০টি শয্যা থাকলেও দেখানো হচ্ছে ১২০টি। ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৪৫ শয্যায় ভর্তি করা হয় করোনা রোগী। কিন্তু এই হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৮৫টি।

হিসেবের এই গরমিলের কারণে করোনা আক্রান্ত রোগীকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে স্বজনদের।

সরকারি হিসেবে হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ১০০ শয্যার। কিন্তু এ হাসপাতালে ৪-৫ জন রোগী ভর্তি থাকে। আইসিইউ’র কথা বলা হলেও কোনোটিই সচল নয়। কিন্তু এ হাসপাতালের নামে সরকার বরাদ্দ দিচ্ছে।

তবে সরকারি হিসেবে উল্লেখিত বেসরকারি হাসপাতালের ২ হাজার ৭২৮টি শয্যার সবগুলো করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য বরাদ্দ দেওয়ার তথ্যে গরমিল প্রশ্নে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, তালিকায় যে শয্যা সংখ্যার তথ্য দেওয়া হয়েছে তা করোনা রোগীর জন্য বরাদ্দ বলতে গেলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এখন করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net