1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ফের উত্তাল বঙ্গোসাগর,বিপাকে সাগরের জেলেরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীনগরে মাদ্রাসায় শিক্ষককে অব্যাহতির ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর আর নেই যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি: প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ নোয়াখালীর বসুরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতে ইসলামীর লিফলেট বিতরণ রামগড় ৪৩ বিজিবির জব্দকৃত প্রায় ৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস ভিক্টোরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য পূবালী ব্যাংকের বাস উপহার কিশোরগঞ্জে সংবাদপত্র হকারদের পাশে জেলা প্রশাসক, উচ্ছ্বসিত হকাররা মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ

ফের উত্তাল বঙ্গোসাগর,বিপাকে সাগরের জেলেরা

মনিরুজ্জামান,ভোলা
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৪০০ বার

সাগরে মাছের সুষ্ঠু প্রজনন ও বৃদ্ধির স্বার্থে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন সরকার। পরে ২৪ জুলাই থেকে সাগর মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত হয়। কিন্তু সকল প্রস্তুতি ও যাত্রার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবার সাথে সাথেই বাঁধ সাধে বিরূপ প্রকৃতি। সাগরে সৃষ্টি হয় নিম্নচাপ। জারি করা হয় ৩ নং সংকেত। যার দরুণ মাছ ধরতে যেতে পারছে না প্রায় অর্ধলক্ষ ইঞ্জিনচালিত নৌকা।

ঝুঁকি নিয়ে সাগরে রওয়ানা হয়ে ডুবে যায় চট্রগ্রামের বাঁশখালীর অন্তত ৬ টি নৌকা। নিখোজ হয় বেশ কয়েকজন জেলে। বিরূপ আবহাওয়ায় থমকে যায় সাগর তীরবর্তী উপজেলা চরফ্যাসন, মনপুরা, কলাপাড়া, পাথরঘাটার জেলেদের সাগর যাত্রা। বরিশাল বিভাগের প্রায় ১ লক্ষ ৪৬ হাজার জেলে ও প্রায় ২০ হাজার বিভিন্ন আকারের নৌকার সাগর যাত্রা হয়ে যায় বন্ধ।

সাগরের মাছের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় সময় নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকার পর আবার প্রকৃতির বাঁধায় স্তব্ধ হয়ে পড়ে করোনাকালীন সময়ে সাগরে মাছ ধরা, বিক্রি ও পরিবহনের সাথে যুক্ত প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ মানুষের জীবিকা।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, সাগরে মাছ ধরতে যেসব নৌকা তৈরি করা হয় তাতে খরচ হয় আকার ও ক্ষমতাভেদে ২০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত। প্রতিবার সাগরযাত্রায় খরচ হয় ২ থেকে ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এত বিপুল পরিমাণ আর্থিক বিনিয়োগ করে অধিকাংশ সময় মাছ ধরতে না পেরে বর্তমানে চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে নৌকার মালিকরা। অনেক নৌকার মালিক ঋণের টাকার দায়ে নৌকা বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। এমনি একজন নৌকার মালিক রুহুল আমিন জানান, “সাগরে মাছের টাইমে মাছ ধত্তে না পাইরা আর অন্য টাইমে মাছ কম থাহায় ৩০ লাখের নাওয়ে ১২ লাখ ট্যাকা লোকসান দিয়া নাও বেইচা ফ্যালাইচি”। সাগরের আরেকজন ট্রলার মালিক কালাম জানান,”সরকার সাগরে অবরোধ দিছে, জাইল্লাগো তাও কিছু চাউল দিছে, আমাগো তো কিছু দেই নাই। অহন আমরা লোকসান দিয়া দিশাহারা হইয়া যাইতাছি।”

সাগরের নৌকা রওনা দেয় এমন মাছ ঘাটগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, আবহাওয়া খারাপ থাকায় নৌকাগুলো সাগরে যেতে পারছে না। এতে জেলেদের পাশাপাশি চরম দূর্দশায় পড়েছে এর সাথে জড়িত উপকূলীয় বিরাট জনগোষ্ঠী। মাছ ধরতে না পারার সাথে ঋণের বিরাট বোঝা, উপরন্তু করোনার নিষেধাজ্ঞায় অন্য কাজেও প্রতিবন্ধকতা- এমনই জীবিকার নিদারুণ সংকটে পুরো উপকূলীয় জনগোষ্ঠী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net