1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঝুঁকিতে ঠেলে দেওয়া হয়েছে_ দ্রুত শ্রমিকদের টিকা দেয়ার আহবান __ জাতীয় জনতা ফোরাম - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে নিরপরাধদের ফাঁসানোর অভিযোগ মনোহরগঞ্জে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও সড়কের কাজ চলছে ধীরগতিতে  মাগুরায় ঐতিহাসিক নোমানী ময়দান রক্ষায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  নবীনগরে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় সভা ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা বিসিএসের বাকি ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার, রাজনৈতিক পরিচয়ে বৈষম্য হবে না প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগ মানুষের জীবনের দাম পাঁচ লক্ষ টাকা নয়’ চ্যানেল আইয়ের শুভজন্মদিনে বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদা মাগুরায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপ

ঝুঁকিতে ঠেলে দেওয়া হয়েছে_ দ্রুত শ্রমিকদের টিকা দেয়ার আহবান __ জাতীয় জনতা ফোরাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৬১ বার

মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের লকডাউনের ভিতর শিল্পকারখানা খুলে শ্রমিকদের জীবন ও স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ জাতীয় জনতা ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ও জ্ঞান সৃজনশীল প্রকাশক মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার । তিনি বলেন, কোনো রকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই ব্যবসায়ীদের চাপে হঠাৎ শিল্প ও কলকারখানা খুলেছে সরকার। এতে পরিস্থিতি আরও নাজুক হবে। সরকারের এমন দ্বিচারিতামূলক আচরণ বিপুল সংখ্যক শ্রমিককে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।

১ আগস্ট ( রবিবার -) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলমান কঠোর লকডাউনে সরকারি নির্দেশে সব ধরনের গণপরিবহন এবং তৈরি পোশাকসহ সব শিল্পকলকারখানা বন্ধ থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তাই কলকারখানা বন্ধের সরকারি নির্দেশনার প্রেক্ষিতে শ্রমিকরা ঈদের ছুটির সময় যার যার গ্রামের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো রকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই এখন সরকার মালিকদের চাপে পড়ে হঠাৎ করে আজ ১ আগস্ট থেকে গার্মেন্টসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের কারণে শ্রমিকরা চাকরি বাঁচানোর তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শত শত মাইল দূর থেকে হেঁটে, রিকশায়, ভ্যানে, সিএনজিতে ট্রাকে অবর্ণনীয় কষ্ট করে ভাড়া দিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশে ছুটে চলছে। পথে পথে তাদের হয়রানিরও শিকার হতে হচ্ছে।

অলিদ তালুকদার বলেন_দেশের সব শিল্প ও কলকারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের শতভাগ টিকা প্রদানের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন_শিল্প ও কলকারখানার শ্রমিকদের যাতায়াতের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তজেলা পরিবহন চালু করতে হবে। হেঁটে শ্রমিকদের আসার দরকার নেই। কিন্তু যেভাবে শ্রমিকরা ঢাকায় আসছেন, তাতে ক্ষতি বাড়বে।

অলিদ তালুকদার বলেন, কঠোর লকডাউনের মধ্যেও যেখানে হাসপাতালগুলোয় রোগীর জায়গা হচ্ছে না, অক্সিজেন ও আইসিউয়ের অভাবে মৃত্যুর হার বেড়েই চলছে। সেখানে শিল্পকলকারখানা খুলে দেওয়ার ফলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হবে। একই সঙ্গে সরকারের এমন দ্বিচারিতামূলক আচরণ বিপুল সংখ্যক শ্রমিককে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেবে।

অলিদ তালুকদার আরও বলেন, শ্রমিক-কর্মচারী মেহনতি মানুষ হলো দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ও সম্পদ। জাতীয় স্বার্থে তাদের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র, সরকার ও মালিক কর্তৃপক্ষের অন্যতম দায়িত্ব। আমি মনে করি করোনা মহামারী থেকে রক্ষা পেতে লকডাউনের পাশাপাশি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার আগে শতভাগ শ্রমিককে টিকা দিতে হবে। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিপুর্ণ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করেই কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান সচল করে জীবন ও জীবিকার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে কারখানা ও অঞ্চলভিত্তিক করোনা কোয়ারেন্টাইন, শনাক্তকরণ কেন্দ্র ও আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে শ্রমিকদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। কারখানা বন্ধের অজুহাত দেখিয়ে মালিকরা যাতে শ্রমিকদের তাদের প্রাপ্য বেতন, মজুরি থেকে বঞ্চিত করতে না পারে সে জন্যও সরকারকে কঠোর নির্দেশনা প্রদানের দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net