1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ভারতীয় বিজ্ঞানীদের দাবি মাত্র ৮০ বছরে পৃথিবী অকার্যকর ; সর্বোচ্চ ৪০০ বছর পরে কিয়ামত। - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রামগড়ে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও বিজিবির আর্থিক অনুদান চৌদ্দগ্রামে এনসিপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন, আহ্বায়ক ওমর ফারুক, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন খান রাজিব নকলায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি মাগুরায় রেড ক্রিসেন্ট মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বাংলাদেশে ঢুকছে নতুন মাদক ‘কুশ’: কতটা বিপজ্জনক এই মাদক? এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধ: মেহজাবীন দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মাটিরাঙ্গায় সরকারি চাল-গম মজুদ রাখায়, দোকানিকে জরিমানা ও পণ্য জব্দ রায়ের পরও জটিলতায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজের জমি, ইউএনও-এসিল্যান্ড-পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের অভিযোগ

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের দাবি মাত্র ৮০ বছরে পৃথিবী অকার্যকর ; সর্বোচ্চ ৪০০ বছর পরে কিয়ামত।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮৬৮ বার

ভারতীয় বিজ্ঞানীদের দাবি আর ৪০০ বছরের মধ্যে বাসযোগ্য এই নীলাভ গ্রহটি হয়ে পড়বে একটি ভিন্‌গ্রহ। মানবসভ্যতার কাছে। খুব দ্রুত হারে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবী আর বাসযোগ্য থাকবে না।

কোনও জ্যোতিষীর পূর্বাভাস নয়। এই হুঁশিয়ারি দিলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টে। যার নাম- ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসেসমেন্ট অব ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজি’-তে।

ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন রাষ্ট্র গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ কমানোর যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলি পুরোপুরি রক্ষিত হলেও আর ৭৯ বছরের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রাক শিল্পযুগের চেয়ে অন্তত ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের।
তার ফলে এমন ঘনঘন ও ভয়ঙ্কর দাবানল হবে বিশ্বজুড়ে, যা অভূতপূর্ব। একই ভাবে ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা, তাপপ্রবাহ ও শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা ও সংখ্যা এতটাই অকল্পনীয় ভাবে বেড়ে যাবে যে ২১০০ সালে পৃথিবী আর বাসযোগ্য থাকবে না।
মানবসভ্যতার কাছে হয়ে পড়বে আরও একটি ভিন্‌গ্রহ। শুধু তা-ই নয়, স্থল ও জলের যাবতীয় বাস্তুতন্ত্রেরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, ২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা-বৃদ্ধিকে প্রাক শিল্পযুগের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বেঁধে রাখতেই হবে। না হলে শেষের সে দিন ঘনিয়ে আসবে পার্থিব সভ্যতার।

গবেষকরা দেখেছেন, ২১০০ সালের পরেও পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির রথের রশির লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হবে না। তার ফলে, বিশ্বজুড়ে প্রচুর কৃষিজমি পুরোপুরি অ-ফসলি, অনুর্বর হয়ে পড়বে। সেগুলি ধীরে ধীরে সরে যাবে পৃথিবীর দুই মেরুর দিকে।
যেহেতু দুই মেরুর বরফও ততদিনে গলে গিয়ে সমুদ্রের জলস্তর বাড়ানোর পাশাপাশি বরফের চাঙরের নীচে লুকিয়ে থাকা স্থলভাগকেও উপরে তুলে আনবে। আমাজন নদীর অববাহিকা আর ৪০০ বছরের মধ্যে একেবারেই শুকিয়ে যাবে।

তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও ঘটনার সংখ্যা এতটাই বেড়ে যাবে ভারত-সহ ট্রপিক্যাল অঞ্চলের দেশগুলিতে, যে গোটা এলাকাই অ-বাসযোগ্য হয়ে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net