1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
'কৃষকদের কথা ভাবুন' - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক ৩ ইটভাটাকে ১৫লাখ টাকা জরিমানা সোনারগাঁয়ে কাজীর ওপর হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জামায়াতের মাগুরায় মাদক বিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেফতার -২ ৪ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি প্রাইভেট কার ১টি মোটরসাইকেল ও ৬ লক্ষ টাকা উদ্ধার! মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের খুলনা বিভাগীয় লং মার্চের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রামগড়ে দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে চাল বিতরণ, বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা সাতকানিয়া আমিলাইষে দুর্গোৎসবে ১০০ পরিবারকে বস্ত্র উপহার দিলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান  কুমিল্লায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার অনাবাসিক শাখার উদ্বোধন গত ১৭ বছর শিক্ষার্থীদের মিথ্যা শেখানো হয়েছে” মাগুরায় এমপি মনোয়ার হোসেন খান মাগুরায়  ৭৫ জন অসহায়কে আর্থিক সহায়তা ও নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত  মাগুরার শ্রীপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত 

‘কৃষকদের কথা ভাবুন’

রবিউল ইসলাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১২৯৪ বার

আলু আমাদের খাবারের তালিকায় নিত্য সঙ্গী। স্বাদ কিংবা পরিমাণ বাড়াতে প্রায় সব রকমের তরকারিতে আলু একটি দরকারি শস্য। কিন্তু আলু চাষিদের খবর কি আমরা রেখেছি?

মাঠ পর্যায়ে কৃষকেরা ৫-৬ টাকা দরে আলু বিক্রি করছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ২০ হাজার টাকা কিন্তু উৎপাদিত আলু বিক্রি করছে ১০-১১ হাজার টাকা্য। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লে আমাদের কৃষক বাঁচবে কি করে?

শুধু আলুই নয়। ধান, গম,ভুট্টা, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে প্রায় সব রকমের কৃষি পন্যের ন্যায্য মূল্য আমাদের কৃষকেরা পায় না।

‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগান দিয়ে নিজেদের দায় এড়ানো যায় না।

এই সমস্যা সমাধানে দরকার সঠিক পরিকল্পনা। মূলত চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হলে ফসলের দাম কমে য়ায। আমার মতে কতিপয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

প্রথমত আমাদেরকে প্রতিটি কৃষি পন্যের বাৎসরিক চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সারাদেশব্যপী নির্দিষ্ট কৃষি পন্য উৎপাদন অঞ্চলে ভাগ করতে হবে। যেমন, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর অঞ্চল আলু চাষের জন্য উপযোগী। আবার পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চল পেঁয়াজ চাষের জন্য উপযোগী। নির্ধারিত অঞ্চলে নির্ধারিত শস্য ছাড়া অন্য কোন শস্য যাতে কৃষকেরা উৎপাদন না করে সেজন্য কার্যকরী নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। এভাবে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। ফলে আমাদের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে।
এ বিষয়ে আরো কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষিবিদদের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক, ডিকে মহাবিদ্যালয়
রানীসংকৈল, ঠাকুরগাঁও

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net