https://www.dailyshamolbangla.com/
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ষোলঘর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের এপিএস মো. সোহেলের মামলায় মো. সাইদুল মুন্সী নামে এক ব্যাক্তি ৩দিন জেল খেটে জামিনে বের হয়ে আশার পর ফের হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সোহেলর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের ইয়াসমিন দেলোয়ার হাসপাতালের সামনে। এঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে সাইদুল মুন্সী।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে ইয়াসমিন দেলোয়ার হাসপাতালে সামনে সামসুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার(৪০), আনোয়ারের ছেলে সোহেল (৩৫), বারেকের ছেলে পনির(৩০)সহ ৮/১০ অতর্কিতভাবে সাইদুলের উপর হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে বিভিন্ন স্থানে নীলা, ফুলা জখম করে এবং গলাটিপে তাকে হত্যার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
আহত সাইদুল ইসলাম বলেন, আমার সাথে সামান্য বিষয় নিয়ে চেয়ারম্যান ও তার এপিএস মো. সোহেলর সাথে গণ টিকার কনসার্টে কথা কাটাকটি হয়। এর জের ধরে চেয়াম্যান তার প্রভাব খাটিয়ে সোহেলকে বাদি করে আমর বিরুদ্ধে একটা মিথ্যা মমলা দেয়। পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে কোর্টে পাঠায় আমি ৩দিন জেল খেটে গত ৬ মার্চ জামিনে আসি। ৭মার্চ সোমবার সকাল ১১টার দিকে আমর এক ভাইকে দেখতে ইয়াসমিন দেলোয়ার হাসপাতালে যাই। সেখানে সোহেলের নেত্রীত্বে আজিজুল চেয়াম্যানের বহিনির ১০/১২জন আমর উপর হামলা করে। আমাকে বেধরক মারপিট করে সোহল, আনোয়ার আমার গলাচেপে হত্যার চেষ্টা করে। সেখানে হাসপাতালের কয়েকজন স্টাফ ও স্থানিয় কয়েকজন আমাকে তাদের হাত থেকে বাচায়। আমি সেখান থেকে দৌরে পালানোর সময় আজিজুল চেয়াম্যানের বাড়ির সামনে ওরা আবার আমাকে মারধর করে। আমার ডাক চিতকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে সোহেল আমাকে বলে তুই এখান হাসপাতাল বা থানায় গেলে সেখানেও তোকে মারা হবে। এই কথা শুনে আমি আমর সাথে থাকা চাচাতো ভাইয়ে সহযোগীতায় বাড়িতে চলে আশি। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে থানায় এসে অভিযোগ করেছি।
সোহেল বলেন, আমার বিরুদ্ধে সাইদুল মুন্সী মিথ্যা অভিযোগ করছে। সে জেল থেকে এসে আমার মামলা সাক্ষী আনোয়ারকে চাকু দিয়ে পার মারছে। আমার ওর উপর কোন হামলা করি নাই।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।