ঢাকা   ০৫:০৩:৫৬ পিএম, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু,পরিবারের দাবি হত্যা  আনোয়ারায যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ইরা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লাকসাম যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল  মাগুরার শ্রীপুরে বরিশাট ঈদগাহের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন  জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির ৫৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আগুন নিভাতে গিয়ে হারালো হাত, জীবন-মৃত্যু সন্ধিক্ষণে ডিজিএম নুরুল আকতার

ইকবাল ইবনে মালেক, চট্টগ্রাম।
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
  • ৩৪৬ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড বি/এম কন্টেইনার ডিপোতে যখন ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে তখনো বাসায় অবস্থান কর ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম নুরুল আকতার । সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বাসায় অবসরে তিনি সময় পার কর ছিলেন প্রিয় পরিবারের সাথে। তখনি হঠাৎ রাতে কল পান দুর্ঘটনার। সময়ক্ষেপন না করে স্ত্রী নাজনীন নাহারকে বলে হালিশহর বাসায় থেকে বের হয়ে ছুটে যান প্রিয় কর্মস্থল বি/এম কন্টেইনার ডিপোতে।

ডিজিএম নুরুল আকতারের ভাগ্য কি ঘটতে যাচ্ছে যেমটি তিনি ভাবতে পারেননি ঠিক তেমনি ভাবতে পারেনি তার পরিবার। ডিপোতে বিস্ফোরিত আগুনের উত্তাপের তীব্র লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারি দিকে। ক্ষনে ক্ষণে বিস্ফোরণে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে।জ্বলন্ত আগুন থেকে প্রিয় সহকর্মীদের বাঁচাতে আগুন নিভাতে যোগ দেয় ডিজিএম নুরুল আকতার। মুহুর্তে তিনি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে যান, বিস্ফোরণ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যায় তার হাত এবং শরীলের কোমরের অংশ।

গুরুতর আহত অবস্থায় নুরুল আকতারকে আনা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তাররা নুরুল আকতারের পুড়ে যাওয়া বাম হাত অপারেশন করে কেটে ফেলে দেন।দীর্ঘ সাত বছর কর্ম জীবনে নুরুল আকতার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। কিছুক্ষণ আগে ঘর থেকে বের হওয়া সুস্থ্য মানুষটি এখন জীবন মৃত্যু সন্ধিক্ষণে শুয়ে আছেন হাসপাতালের বেডে।

দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা ধরে অনেক খুঁজাখুজির পর নুরুল আকতার বড় ছেলে রিয়েল খুঁজে পায় তার বাবাকে। বাবার এমন করুণ পরিনতি দেখে বাকরুদ্ধ রিয়েল। এক মুহুর্তে জন্য তারা ভাবতে পারেনি এমন করুণ দুর্ঘটনার শিকার হতে যাচ্ছে তাদের বাবা, যদি একটু আঁচ করতে পারত তাহলে কিছুতে প্রিয় বাবাকে ঘর থেকে বের হতে দিতনা এমনটা বল ছিল নুরুল আকতারের বড় ছেল।

ডিজিএম নুরুল আকতারের গ্রামের বাড়ি সন্দ্বীপে, তিনি গাছুয়া সদার গো বাড়ির মাস্টার নজির আহমদের ছোট ছেলে। নুরুল আকতার তিন ছেলে এক মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে থাকতেন হালিশহরে।

উল্লেখ্য চট্টগ্রাম সীতাকুন্ড বি/এম কন্টেইনার ডিপোতে গত রাত ১১ টায় আগুণের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুর্ঘটনায় ৪১ জন মারা যায় এবং দুই শতাধিক লোক আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি