1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কক্সবাজার একাত্তর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আকতার কামাল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে এসিল্যান্ডের অভিযান, ৩ মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবনে নতুন আশার আলো, পাশে দাঁড়াল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে সিএনজি স্টেশনে চাঁদাবাজি অভিযোগে মিছিল হাটহাজারী মাদরাসায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নৃত্য, গান, কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধাঞ্জলি বরুড়ায় আর্মি ছেলে পরিচয়ে নালিশী নিষেধাজ্ঞা ভূমি বেদখলের চেষ্টা  আসামী সুশেনের বিরুদ্ধে 

কক্সবাজার একাত্তর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন আকতার কামাল

সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁও।
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
  • ৪০১ বার

গতকাল রবিবার স্থানীয় দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর পত্রিকায় প্রকাশিত “খুটাখালীতে প্রভাবশালীর রোষানল থেকে অসহায় পরিবারের দীর্ঘদিনের বাড়িভিটা রক্ষার আকুতি” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

সংবাদের একাংশে আমাকে জড়িয়ে যে মিথ্যা কল্পকাহিনী সাঁজানো হয়েছে তা ব্যক্তিগত আক্রোশ ছাড়া আর কিছুই নই।

স্থানীয় মহল বিশেষ আমাকে প্রভাবশালী আখ্যা দিয়েছেন। মুলত বনভুমি দখলবাজরাই ফের মেদাকচ্ছপিয়া বনবিটের অঙ্গীকার খেলার মাঠ সংলগ্ন বনের জমি জবরদখলের পায়তারা করছে।

হলফ করে বলছি, আমি কোন সময় বনভুমি জবরদখলের সাথে জড়িত নই বা ছিলাম না। যারা বনভুমি ও বসতবাড়ির রক্ষার দোহাই দিচ্ছেন তারাই মুলত যুগ যুগ ধরে সংরক্ষিত বনভুমি দখল করে লাখ টাকায় বিক্রি করে ফায়দা লুটেছে।

এমনকি সরকারী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে ঐসব দখলবাজ চক্র মেদাকচ্ছপিয়া বনের জমি বিক্রি করে গাছ কেটে লোপাট করেছে। বর্তমানে তারাই ধোয়া তুলসী পাতা।

সংবাদে যারা টাকা দাবীর অভিযোগ তুলেছেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন রইল। আমি তো রিজার্ভে বসবাস করিনা, তাছাড়া বনবিভাগের কেহ নই, আমাকে টাকা দেবেন কোন উদ্দেশ্য? যদি এসব অভিযোগ প্রমান করতে পারেন শাস্তি মাথা পেতে নেব।

যে সব অভিযোগকারী আমাকে প্রভাবশালী বানিয়ে থলে থলে সাধু সেোজেছেন, তাদের নামে ক’টি রিজার্ভ মামলা রয়েছে তা প্রশাসনের নখদর্পনে।

তবুও বলতে চাই অভিযোগকারী খুটাখালী ইউনিয়নের চারিঘোনা গ্রামের মনিরুল হক ভুট্রো। সরকার দলীয় লোক ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। মেদাকচ্ছপিয়া বনে তার দখলে কতটুকু জমি বেচাকেনা ও গাছ কাটার দায়ে জেল জরিমানা হয়েছে তা সকলের জানা।

আরেক দখলবাজ মনজুর আলম কুতুবদিয়াপাড়ার বাসিন্দা হলেও রাতদিন পড়ে থাকে রিজার্ভে। তার রহস্য খুঁজে বের করা দরকার।

খেলার মাঠ সংলগ্ন বনভুমিতে বর্তমানে সপরিবারে রয়েছেন ইয়াছিন আলীর পুত্র বনদস্যু ওমর আলী। বিগত সময়ে দুদফে তার বসত বাড়ী উচ্ছেদ করেছে মেদাকচ্ছপিয়া বনবিট। তার পুত্র আনোয়ারসহ তাদের বিরুদ্ধে দেয়া হয়েছে ৪/৫ টি বন মামলা। সে বিগত ৬ মাস পুর্বে ৬০ কড়া রিজার্ভ জমি বাড়ি ঘর সহ প্রায় ১১ লাখ টাকায় বিক্রি করে বর্নিত এলাকায় বসতি গড়েছেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ নুর মোহাম্মদ। চৌকিদারী তকমা লাগিয়ে থাকেন রিজার্ভে। তার বিরুদ্ধেও বনভুমি দখলের অভিযোগ রয়েছে।

একইভাবে মসজিদ পাড়ার রাশেদ, সুজন, মাঈনুদ্দীন, সাহাব উদ্দিন ও আহমদ নামের দখলবাজ বনভুমি দখলের মহোৎসবে নেমেছে। তাদের বিরুদ্ধে বনবিভাগ ইত্যবতরে
আইনগত ব্যবস্থা নিতে জোরদার হলে তারাই সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা ভুলবাল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে ডাহা মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে প্রশাসন ও বনবিভাগকে বিভ্রান্ত করছে।

ঐসব অভিযুক্তরা গেল নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষের ভুমিকায় ছিলেন। নির্বাচনী ইস্যুকে পুঁজি করে এলাকার গুটিকয়েক দখলবাজ চক্র মুলত আমার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে।
আমি কোন সময় তাদের প্রতিপক্ষ ছিলাম না, তারাই আমার নামে মিথ্যাচার চালিয়ে এলাকার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করছে।

আমি প্রকাশিত সংবাদের জোর প্রতিবাদ জানিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বনবিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একই সাথে বনভুমি জবরদখলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
আাকতার কামাল
পিতা- মৃত আবদুল গফুর
সাং-স্কুলপাড়া, খুটাখালী, চকরিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net