1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ বছরে ৮ বিয়ে, আয় ৭১ লাখ টাকা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের এলাকাভিত্তিক নেতাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ট-ব্লকে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত বাড়ি-ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত কমিটির সভা কর্ণফুলী প্রেসক্লাবের মাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন! পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর রহমান জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে বেড়েছে সবজির দাম সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীর হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান মাসউদ  নোয়াখালীর চৌমুুহনীতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিলি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ বছরে ৮ বিয়ে, আয় ৭১ লাখ টাকা

মোঃ মজিবর রহমান শেখ |
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৭২ বার

মরজিনা আক্তার মিম (৩২)। তিনি ৫ বছরে ৮ বিয়ে করেছেন। প্রতিবারই স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে দেনমোহরের টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। দেনমোহরের পরিমাণ প্রায় ৭১ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। মোটা অঙ্কের দেনমোহরের টাকা আদায় করতেই মিম বিয়ে করতেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
মিম ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার নসিবগঞ্জ নুহালী এলাকার বাসিন্দা মোজ্জাম্মেল হকের মেয়ে।
এ প্রসঙ্গে মিমের বক্তব্য, স্বামী মনের মতো না হওয়ায় এমন করেছেন তিনি। পরিবারের দাবি, কোনো ছেলে মিমের সঙ্গে সংসার করতে রাজি হয়নি। তাই ছেলেদের কাছ থেকে দেনমোহর পরিশোধ করিয়ে তারা মেয়েকে ছাড়িয়ে এনেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিম একে একে ৮টি বিয়ে করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে করেছেন ৭টি বিয়ে। এর মধ্যে ২০১৭ সালে একটি, ২০১৮ সালে একটি, ২০১৯ সালে দুটি এবং ২০২০ সালে ৩টি বিয়ে করেন তিনি। এসব বিয়র কিছুদিনের মাথায় ছাড়াছাড়ি করে প্রায় ৬৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন মিম। সর্বশেষ ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর পীরগঞ্জ উপজেলার চাঁদগাঁও গ্রামের রবিউল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় মিমের। বিয়েতে ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধরা হয়। কিন্তু বিয়ের পরেই তাকে তালাক দিতে স্বামীকে চাপ দেন মিম। এরপর তিনি বাবার বাড়ি ফিরে এসে শ্বশুর বাড়ির লোকেদের মামলার ভয় দেখান। এ প্রসঙ্গে রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বিয়ের প্রথম থেকেই মেয়েটি সমস্যা করছিলো। বেশিরভাগ সময় বাবার বাসায় থাকতো সে। বিয়ের তিন মাস পর আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই তালাক দেবে বলে জানায়। পরে আমি খবর নিয়ে তার আগেও ৭টি বিয়ে হয়েছে বলে জানতে পারি। এখন সে তালাক এবং দেনমোহরের টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে। মামলার হুমকি দিচ্ছে।’ মোজ্জামেল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে ১০টা বিয়ে করুক তাতে আপনাদের বা কারো কি সমস্যা? আমার মেয়ের সঙ্গে সংসার না করলে দেনমোহরের টাকা দিয়ে আমার মেয়েকে তালাক দিতে হবে এটা স্বাভাবিক বিষয়। এ নিয়ে অন্য কারো কিছু বলার সুযোগ নেই।’
মরজিনা আক্তার মিমের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলন, ‘কোনো ছেলে আমার মন মতো হয়নি। সে জন্য কারা সঙ্গেই সংসার টেকে নাই আমার। জোর করে সংসার করা যায় না।’ এ বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর সনগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমি নতুন চেয়ারম্যান হয়েছি। একটি মেয়ের এতগুলো বিয়ে আমার জানা ছিলো না। বিষয়টি জানার পর আমি মেয়ের বাবাকে ডেকেছিলাম। কিন্তু তার কথা বলার ধরন ভালো লাগেনি।’
ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইমরান চৌধুরী জানান, বিয়ের সময় দেনমোহরের টাকা ধার্য করার পর সেই টাকার মালিক স্ত্রী। আইন অনুযায়ী বিয়ের পর ছেলে বা মেয়ে যেই তালাক দিক না কেন দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net