1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মাগুরায় মৌচাষে স্বাবলম্বী আজিম - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চন্দনাইশে পেশাজীবী দল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন আয়োজনে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব  চন্দনাইশে গোয়াল ঘরে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়েছে ৭ গরু-মৃত-১ কোম্পানীগঞ্জে থানারহাট-বাংলাবাজার সড়কের বেহাল দশা : দ্রুত স্থায়ী সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন  লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং পারিজাত এলিটের ত্রাণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন মাগুরায় জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের উদ্যোগে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ১০ শহীদের কবর জিয়ারত পরিবারের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী মোঃ মিজানুর রহমান মিলন গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল চাকুরী দেওয়ার কথা বলে অর্থহাতিয়ে নিয়ে, ভুক্তভোগী নামে মিথ্যা মামলা   এনসিপির জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হলেন চৌদ্দগ্রামের সুফিয়ান রায়হান

মাগুরায় মৌচাষে স্বাবলম্বী আজিম

মোঃ সাইফুল্লাহ ;
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩৮২ বার

মধু চাষ, মধু সংগ্রহ ও মধু বিক্রিতেই বছরের প্রায় পুরো সময় কেটে যায় মাগুরার মৌচাষী আজিমের। এক সময়ে সরিষা, এক সময়ে ধনিয়া-কালো জিরা, আবার আরেক সময়ে লিঁচু বাগানে বাক্স পেতে মধু চাষ এ যেন তার বার্ষিক ক্যালেন্ডার। চার বছর আগে জামালপুরের শেরপুর পাহাড় থেকে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় রাণী মাছিসহ ৫৩ টি বাক্সে ৩০০ টি চাক কিনে আনেন তিনি।বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৬ টি বাক্সে ১১ শ’টি চাকে দাঁড়িয়েছে। আর এগুলো দিয়েই চালিয়ে যাচ্ছেন তার মৌ-চাষ। আজিমের বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার তারাউজিয়াল গ্রামে। সরে জমিন গিয়ে মাগুরা শহর থেকে আনুমানিক ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে সদর উপজেলার সত্যপুর, লক্ষ্মীপুর ও আড়োপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেলো এক অসাধারণ দৃশ্য। মাঠের পর মাঠ সরিষার ক্ষেত। সেখানে আজিমের দু’টিমৌ-খামারে হাজার হাজার মৌমাছি বাক্সের মধ্যে ঢুকছে আর বের হচ্ছে। মাথা থেকে গলা পর্যন্ত জালআবৃত টুপি পড়ে আজিম মৌমাছির পরি চর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। তিনিসহ চার জন সেখানে মৌচাষে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। পরিচর্যার ফাঁকে ফাঁকে বিস্তর কথা হয় আজিমের সঙ্গে। তিনি জানান,চলতি সরিষা মৌসুমে ৭ থেকে ৮ বার মধু আহরণ করা হবে। প্রতিবার ১০মণ থেকে ১২ মণ মধু উৎপাদন হবে। এতে করে চলতি সরিষা মৌসুমে আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ মণ মধু উৎপাদন হবে।

যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৪ লাখ থেকে ১৬ লাখ টাকা। ইতোমধ্যেই ৫ বার মধু আহরণ করা হয়েছে। প্রতি কেজি মধু ৪ শ’ টাকা থেকে ৫ শ’ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এ মধু ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার পাইকারী ক্রেতারা এসে খামার থেকেই নিয়ে যান। অনেকে বিদেশেও নিয়ে যান।দেড়মাস সরিষার মধু আহরণের পর ট্রাক ভরে মৌমাছির বাক্স নিয়ে মাদারীপুর জেলায় ধনিয়া ও কালোজিরার মধু সংগ্রহের জন্য চলে যাবেন। সেখানে এক মাস ১০ দিন মতো থাকবেন। মধু সংগ্রহ হবে ২ থেকে ৩বার। যার পরিমাণ হয়ে থাকে ৩৫ থেকে ৪০ মণ। তবে কালোজিরার মধুর দামবেশি। প্রতিকেজি কালোজিরা ফুলের মধু এক হাজার থেকে ১২ শ’ টাকা দরে বিক্রি হয়ে থাকে। যার আনুমানিক মূল্য ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকা। মাদারীপুরে দেড় মাসের মতো থাকার পর আবার ফিরে আসবেন মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামের লিঁচু বাগানে। সেখানেও ৩ বার মধু আহরণ করা হবে। এতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মণ মধু উৎপাদন হবে। যার বাজার মূল্য ১২ থেকে১৩ লাখ টাকা। আজিম আরো বলেন, তারা ৪ জন লোক সার্বক্ষণিক শ্রম দিয়ে চলেছেন।আর এসব মোমাছির বাক্স এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিতেও অনেক খরচ। আছে অতিবৃষ্টি বা ঝড়ে অনেক মাছি মারা যায়। অনেক বাক্স ভেঙে যায়। তাছাড়া উৎপাদনের সময়টুকু বাদ দিলে বাকি সময়ে মৌমাছিদের চিনি খাওয়াতে হয়। তবে সব খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ থাকে তা অন্য যে কোনো ব্যবসার চেয়ে বেশি। তিনি এ মৌ-চাষ করে আজ অনেক স্বাবলম্বী। এ দিয়েই অনেক স্বচ্ছন্দে চলছে তার সংসার। সেই সঙ্গে সঞ্চয় হচ্ছে বেশ অর্থ। আর তার মধুতে কোনো প্রকার ভেজাল নেই বলে তিনি মানুষের হালাল জিনিস খাওয়াচ্ছেন। এটাও তার পরম পাওয়া বলে তিনি মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net