1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শ্রীপুর পৌরসভা সম্পূর্ন শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত।করের টাকায় চলে বিদ্যুৎ বিল - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ক্যানসারে আক্রান্ত সাংবাদিক ফারজানা আফরোজ কুমির চিকিৎসায় সহায়তার আবেদন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের মর্যাদা ও বৈষম্য দূরীকরণে জাতীয়করণের দাবি  মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত  মাগুরায় শ্রীপুরে সোনালী ব্যাংকের এটি,এম বুথের উদ্বোধন  নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত  মাগুরায় জামায়াতের ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ  নবীনগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা নৈতিক চিত্তের মানুষ তৈরি করতে হলে শিক্ষার্থীদের আদব শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে : এস এম আকাশ শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

শ্রীপুর পৌরসভা সম্পূর্ন শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত।করের টাকায় চলে বিদ্যুৎ বিল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩৯৯ বার

ফজলে মমিন,শ্রীপুর(গাজীপুর)

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভাটি হালের সময়ে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্হ প্রতিষ্ঠান।পৌরসভার পরতে পরতে রয়েছে দুর্নীতি,অনিয়ম আর লুটপাটের ছাপ।জনবল নিয়োগ,কাজের দরপত্রে,বিভিন্ন ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে,পৌর বানিজ্যিক ভবন কাম মাল্টিপারপাস,অবকাঠামোগত উন্নয়নে,বাৎসরিক বাজেট,সরকারি বরাদ্দসহ সবক্ষেত্রই ছিল দুর্নীতির মহোৎসব।অযোগ্য,অদক্ষ্য আর দুর্নীতিপরায়ন কর্মকর্তাদের দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পৌরসভা।এমন কোন খাত নেই দুর্নীতিমুক্ত।সদ্য পদচ্যুতি মেয়র মোঃআনিছুর রহমান পোরখাওয়া আপাদমস্তক একজন রাজনৈতিক নেতা।তাঁর রাজনৈতিক দুরদর্শিতার কমতি নেই তবে প্রশাসনিক দক্ষ্যতার বড়ই অভাব ছিল।দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মেয়রের সরলতার সুযোগ নিয়ে এসব অপকর্মগুলো বছরের পর বছর করে আসছিল।কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি মেয়রের ছিল অগাদ বিশ্বাস আর আস্হা।কর্মচারীরা তাঁর কাছে এতটায় বিশ্বাস্হ ছিলেন খোদ মেয়র তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেছিলেন একজন মাস্টাররোল কর্মচারীকে। সচিবালয় থেকে শুরু করে সর্বত্রই ছিল তার দাপট।তার কথামত চলতো পুরো পৌরসভা।পৌরসভায় তার কথায় শেষ কথা ছিল।কোন কর্মকর্তা-কর্মচারি প্রতি বিরাগবাজন হলেই বদলীসহ নানা হয়রানীর স্বীকার হতে হতো।ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পৌরসভার উন্নয়নের সিংহভাগ কাজ ওই কর্মচারি একাই করার অভিযোগ রয়েছে।ওই কর্মচারির বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ।ওই কর্মচারির সুযোগ-সুবিধার বদৌলতে পৌরসভার প্রায় সবটি শাখায় পুরুস্কার হিসেবে পাইয়ে দিয়েছেন ইয়ার কোলার(এসি)।এতে করে পৌর নাগরিকের করের টাকা ব্যায়ে মাস গেলে দিতে হয় মোটা অংকের বিদ্যুৎ বিল।সরেজমিনে পৌর কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়,পৌর মেয়রের কক্ষসহ পৌর নির্বাহী,প্রকৌশল শাখা,সার্ভেয়ার ও নক্সাকার কক্ষ,বিদ্যুৎ কক্ষ,নিবন্ধন শাখা,হিসাব রক্ষন শাখা,কেশিয়ারের কক্ষ এবং সকল কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলরের কক্ষগুলো শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত।প্রকৃত সেবা নিতে আসা লাইসেন্স শাখা,বাজার শাখা ও কর আদায়কারী শাখায় কোন ইয়ারকোলার(এসি)নেই।কোটি কোটি টাকা আয় নির্ভর পৌরসভা দৃশ্যত উন্নয়ন না পেয়ে হতাশ পৌর নাগরিকরা।অপরদিকে পৌর শহরের কয়েকটি সড়কে নামমাত্র সড়কবাতি লাগিয়ে কোটি কোটি টাকা লুপাটেরও সুনিদৃষ্ট অভিযোগ রয়েছে।অন্যদিকে পৌর নাগরিকের করের টাকা খরচ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এধরনের বিলাসিতা নাগরিকদের সাথে রিতিমত তামাশাই মনে করছেন সচেতন মহল।অচিরেই তদন্তপুর্বক কার্যতঃব্যবস্হা গ্রহন করে পৌরসভার শাখা বৈষম্য দুর করতে একাধিক কর্মকর্তা দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক কায়সার খসরুর(এডিসি)কাছে মুটোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি মাত্রই দায়িত্ব নিয়েছি।পৌর সভার সবগুলো বিষয়ে এখনো জানা হয়নি,তবে পৌরসভার সকল দপ্তরে এসি লাগানোর কোন আইন নেই।তবে সেবা নিতে আসা সম্মানিত পৌর নাগরিকদে সুবিধার্থে কোন কোন শাখায় পৌর কর্তৃপক্ষ এসি বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারেন।ঢালাওভাবে কর্মকর্তাদের বিলাসীতা বা আরাম-আইসের কোন সুযোগ নেই।বিষয়টি আমি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্হা নিব।।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net