1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস : দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন-ব্যারিস্টার সজিব - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নবীগঞ্জে ছোট বোন হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহীন সিলেট থেকে গ্রেফতার নোয়াখালীর হাতিয়ায় তমরদ্দি ইউনিয়নে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে আবারও অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী মাগুরায় ছাত্রদলের পরিছন্নতা কর্মসুচির উদ্বোধন দেওয়ানেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরে ২০ ভরি স্বর্ণের হিসাব নেই গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে কমিটি গঠনের অভিযোগ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৬: অস্ত্র – সরঞ্জামসহ প্রাইভেটকার জব্দ ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত : প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, ভোট হবে ৭ ধাপে শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‎কুমিল্লায়  পেশী শক্তি  ও অনাচারে জড়িত থাকায় ‎দুই যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার স্বাক্ষর অমিল : চবির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থী বরখাস্ত

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস : দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন-ব্যারিস্টার সজিব

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৩১ বার

ফজলে মমিন,শ্রীপুর(গাজীপুর)

গাজীপুরের শ্রীপুরে ১৪ ডিসেম্বর শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদার মাধ্যমে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করেছে উপজেলা ও পৌর প্রশাসন।


ভোরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যারিস্টার সজিব আহমেদের নেতৃত্ব উপজেলা,পৌর ও পুলিশ প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের উপস্হিতে উপজেলার স্মৃতি সৌধে পুষ্পর্ঘ অর্পন এবং বিশেষ মোনাজাতের মধ্যদিয়ে দিনটি সুচনা করা হয়।


পরে উপজেলা প্রশাসন এবং স্হনীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ হতে সাতখামাইর শহিদদের বদ্ধভূমিতে পুষ্পর্ঘ অর্পন এবং আত্নার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।সকাল ১১টায় উপজেলা হলরুম “ক্ষণিকালে” উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যারিস্টার সজিব আহমেদ বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন,শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন। এ দিন ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন।নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের শেষলগ্নে পুরো দেশের মানুষ যখন চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এ দেশীয় নরঘাতক সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালিকে মেধাশূন্য করার এ নৃশংস নিধনযজ্ঞ সেদিন গোটা জাতিসহ পুরো বিশ্বকেই হতবিহ্বল করে দিয়েছিল।

তিনি আরোও বলেন,পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দু’দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে ঘাতক চক্র কেবল ঢাকা শহরেই প্রায় দেড়শ বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশার কৃতী মানুষকে চোখ বেঁধে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে। সান্ধ্য আইনের মধ্যে সেই রাতে তালিকা ধরে ধরে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিসেবী ও পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হত্যা করে ফেলে রাখা হয় নিস্তব্ধ ভূতুড়ে অন্ধকারে।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের কর্মসূচীগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন,সহকারি কমিশনার(ভুমি) আতাহার শাকিলসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ,মুক্তিযোদ্ধা সদস্য,পুলিশ,আনসার সদস্য ও স্হানীয় রাজনৈতিক গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গগন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net