মাগুরার শ্রীপুরে দিনে-দুপুরে এক ব্যবসায়ীর প্রাইভেট কার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ইউনিয়ন বি এন পি’র এক নেতাকে প্রধান আসামী করে থানা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জনকে আসামি করে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের মৃত বদরুল আলম বিশ্বাসের পুত্র ব্যবসায়ী মোঃ ইদ্রিস আলী বিশ্বাস (৪০) ২১ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১১.৩০ টার দিকে তার ড্রাইভার মোঃ সোহাগকে নিয়ে বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে শ্রীপুর থানাধীন নাকোল স্ট্যান্ডে পৌঁছামাত্র আসামিরা তার গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে গাড়ি থামাতে বলে।
গাড়ি থামানোর পর আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইদ্রিস আলীর গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক প্রাইভেট কারের চাবী ছিনিয়ে নেয়। একই সাথে ড্রাইভারকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঢাকা মেট্রো-ট ১৬-৩০১ নম্বরের এক্সনোহা প্রাইভেট কারটি নিয়ে চলে যায়। গাড়িটির আনুমানিক মূল্য ৫৬ লক্ষ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে নাম উল্লেখ করা আসামীরা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক
মহব্বত মোল্যা (৫০), উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের ইসরায়েল শেখের ছেলে সুজন শেখ (৪০), কমল জোয়ার্দারের ছেলে ইমরুল জোয়াদ্দার (৩৮), ও একই গ্রামের খয়রার ছেলে আবু তাহের (৩৫)।
ভুক্তভোগী ইদ্রিস আলী বিশ্বাস অভিযোগে বলেন, বিবাদীদের সাথে তার পূর্ব থেকেই শত্রুতা রয়েছে। তারা সুযোগ পেলেই তার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। ঘটনার পর তিনি গাড়ি ও ড্রাইভারকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরিবারের সাথে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর দেওয়া অভিযোগে তিনি দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মহব্বত হোসেন জানান, ছিনতাইয়ের অভিযোগটি মিথ্যা। আমি এর সাথে জড়িত না। নাকোল স্ট্যান্ডের উপর ঘটনা হওয়ায় আমি ঝামেলা দেখে পাশে দাড়িয়ে ছিলাম।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওলি মিয়া জানান, অভিযোগ পেয়েছেন। টাকা পয়সার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ। গাড়িটি উদ্ধারের জন্য নাকোল ফাঁড়ি ইনচার্জকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।