ঢাকা   ০৭:২৪:৪৩ পিএম, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নতুন ৩টি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের যারা গণহত্যা চালিয়েছে, এ দেশের মানুষ তাদের আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার শ্রীপুরে স্মারক গ্রন্থ ‘স্বপ্ন সারথি’র মোড়ক উন্মোচন এবং বৃক্ষরোপণ মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীরের শপথ নিলেন অধ্যাপক সাইদ আহমাদ বাচ্চু    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২) এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত পরীমণির সঙ্গে কি ঘটেছিল জানালেন সেই সাংবাদিক কুমিল্লার গাংচরে বহুতল ভবনে ফাটলের পর হেলে পড়েছে, মালিকের দাবি ইঁদুরের কাণ্ড মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা মাগুরা-১ আসনের এম পি মনোয়ার খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত কুমিল্লায় শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন, থাকছে ফ্রি পার্ক রাইড উপভোগের সুযোগ

টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল 

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৯ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

কৈশোরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একদল শিশু-কিশোরকে মসজিদমুখী করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন । টানা ৪০ দিন জামাতে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় এলাকার ২০ জন শিশুকে পুরস্কার হিসেবে নতুন বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।

 

শুক্রবার আসরের নামাজের পর নোয়াখালী পৌরসভার খন্দকার পাড়া জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই পুরস্কার তুলে দেন পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ। এ সময় শিশুদের পদচারণায় এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পুরো মসজিদ চত্বর এক অন্যরকম প্রাণচাঞ্চল্য রূপ নেয়।

 

মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা যেন আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে দূরে থাকে এবং শৈশব থেকেই ধর্মীয় অনুশাসন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক শিক্ষার মধ্যে বড় হয়ে ওঠে সেই ভাবনা থেকেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করাছি। টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত মিস না করে মসজিদে এসে জামাতে নামাজ পড়ার এই শর্ত ৭০ জন থেকে ২০ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে বিজয়ী শিশুদের হাতে এই বাহন তুলে দেওয়া হয়।

 

পুরস্কার হাতে পাওয়া শিশুদের চোখে-মুখে ছিল উচ্ছ্বাসের ঝিলিক। আনন্দিত এক শিশু জানায়, প্রথম কিছুদিন সকালের ফজর ও এশার নামাজে উঠতে একটু কষ্ট হতো। কিন্তু এখন নিয়মিত মসজিদে আসার অভ্যাস হয়ে গেছে। সাইকেল পেয়ে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে।

 

স্থানীয়রা এমন মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তারা বলেন, এ ধরনের ইতিবাচক প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম সমাজে কিশোরদের নৈতিক চরিত্র গঠনে এবং সৎপথে চলতে গভীর প্রভাব ফেলবে। শুধু পুরস্কার প্রাপ্তরা নয়, বরং তাদের দেখাদেখি এলাকার অন্যান্য শিশু-কিশোররাও আগামীতে মসজিদে নিয়মিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

 

পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি